July 13, 2017

ওয়েবসাইট তৈরী সম্পূর্ন ফ্রিতে [পর্ব-০৪] :: ড্রপডাউন মেনু তৈরি

ওয়েবসাইট তৈরী সম্পূর্ন ফ্রিতে [পর্ব-০৪] :: ড্রপডাউন মেনু তৈরি

আজকে টিউনের বিষয় আপনারা জানেন যে, আজ আমি দেখাবো কিভাবে আপনি আপনার সাইটকে আরো আকর্ষণীয় করার জন্য
কিভাবে ড্রপডাউন মেনু তৈরি করবেন।

ড্রপডাউন মেনু কি??? 

যদিও এই শব্দটি আকাশ থেকে এসে পড়ে নি।এরপরও আমি জানি অনেকেই বুঝতে পারেন নি যে আসলে ড্রপ ডাউন মেনু কি??
আসলে ড্রপডাউন মেনু হচ্ছে এমন একটি মেনু যেখানে আপনি আপনার মাউস নিয়ে গেলেই তার সব চাইল্ড/ ক্যাটাগরি,পেইজ বা sub item দেখাবে।নিচের ছবিগুলো দেখুন তাহলেই ক্লিয়ার হয়ে যাবে।
w4

আজকের টিউনটি ছোট হবে।তাই ভয় পাওয়ার কিছু নেই।এরপরও ভয় পেলে ঔষধ একটাই। নিচের ভিডীও টিউটোরিয়াল দেখুন আর প্রাকটিক্যালী শিখুন।

যাই হোক যা বলছিলাম... তো চলুন
দেখে নিই যে কিভাবে আমরা ড্রপডাউন মেনু এড করবো। প্রথমেই আমাদের ৩য় পর্ব অনুযায়ী বেশ কিছু ক্যাটাগরি তৈরি করুন। সেটা আপনার পছন্দ মত যেকোনো ওয়েবসাইট অনুসরণ করুন।
চাইলে ট্রিকবিডি নাম্বার ওয়ানের সকল ক্যাটাগরি এবং চাইল্ড ক্যাটাগরিগুলোও অনুসরণ করতে পারেন।
এবার চলুন দেখে নিই এই ক্যাটাগরি বা পেইজগুলো দিয়ে কিভাবে ড্রপডাউন মেনু তৈরি করা যায়। এর জন্য যা যা করতে হবে।
  1. প্রথমে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে লগিন করুন এই লিংক yourwebsitename.com/wp-admin থেকে বা login লিখায় ক্লিক করে।
    example: sorolworld.is-best.net/wp-admin
  2. এরপর dashboard থেকে নিচের ছবির মত appearance>>>menus তে যান।
    w4যদি পেইজ মেনুতে এড করতে চান তাহলে view all এ ক্লিক করুন। আর যদি ক্যাটাগরি মেনুতে এড করতে চান তাহলে category তে আগে ক্লিক করুন এরপর view all এ ক্লিক করে সিলেক্ট করুন।
  3. w4w4
  4. এখন যেই ক্যাটাগরি বা পেইজকে যেটার ভিতরে ঢুকাতে চান সেটাকে শুধু ডানে শিফট শিফট করুন নিচের মত। যেমনঃ এখন android এর ভিতরে android phone review ঢুকাচ্ছি।
    w4বুঝতেই পারছেন ছবিতে সাব আইটেম লিখা উঠেছে।এভাবে এন্ড্রয়েড root ও ডানে নিলাম।
  5. save menu তে ক্লিক করুন।এবার দেখুন কি সুন্দরভাবে আমাদের মেনুটি ড্রপ ডাউন  হয়ে গেছে।
    w4এভাবে আপনি চাইলে আপনার পেইজগুলোকেও ডানে টেনে একটার ভিতর আরেকটা ঢুকাতে পারবেন।
এখনও যারা বুঝতে পারেন নি তারা ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে আসুন। আর যারা এমনিতেই যেতে চান আমার চ্যানেলে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন।ভিডিও দেখতে নিচে ক্লিক করুন।

ধন্যবাদ। আমাদের টিউনটি কষ্ট করে পড়ার জন্য।দেখা হবে পরের টিউনে। ততদিন পর্যন্ত ভাল থাকুন। আর আমার জন্য দোয়া করুন।

source: http://www.techtunes.com.bd/wordpress/tune-id/467432

ওয়েবসাইট তৈরী সম্পূর্ন ফ্রিতে [পর্ব-০৩] :: পেইজ,ক্যাটাগরি মেনুতে এড করা,টিউন করার নিয়ম এবং গুগল এডসেন্সে এপ্লাইয়ের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পেইজ তৈরি

ওয়েবসাইট তৈরী সম্পূর্ন ফ্রিতে [পর্ব-০৩] :: পেইজ,ক্যাটাগরি মেনুতে এড করা,টিউন করার নিয়ম এবং গুগল এডসেন্সে এপ্লাইয়ের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পেইজ তৈরি

আজ আমরা যে বিষয়ে আলোচনা করবো তা হচ্ছে...
পেইজ,ক্যাটাগরি মেনুতে এড করা,টিউন করার নিয়ম এবং গুগল এডসেন্সে এপ্লাইয়ের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পেইজ তৈরি
তো চলুন প্রথমেই দেখে নিই পেইজ কিভাবে তৈরি করবেন। আর মনে করে দেখুন গতপর্বে আমরা আলোচনায় মেনুতে গিয়ে
  • automaticaly add top new level page to menu,mobile menu ইত্যাদিতে টিক দিয়ে দিয়েছিলাম। নিচের ছবির মত।তাই আজ আমরা যেই পেইজগুলো এড করবো... সেগুলো অটোমেটিক মেনুতে এড হয়ে যাবে.
sshot
  • আমি জানি এমন দুই একজন অবশ্যই আছেন যারা আসলে বুঝতেই পারেন নি মেনুটা কি জিনিস।আচ্ছা লজ্জার কিছু নেই নিচের স্ক্রিনশট এ বুঝিয়ে দিচ্ছি।
sshot
যাইহোক এবার চলুন দেখাই কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পেইজ যেগুলো অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটে থাকতে হবে।যেগুলো না থাকলে সাধারণত গুগল এডসেন্স কাউকে এপ্রোভ করে না। এডসেন্স বলতে আপনার ওয়েবসাইট থেকে যদি ইনকাম করতে চান তাহলে গুগলের কাছ থেকে এড এনে আপনার ওয়েবসাইটে বসাতে হবে।সেগুলো নিয়ে পরে আলোচনা হবে। আগে আমরা পেইজগুলো তৈরি করি।ওয়েবসাইট সম্পুর্ণ করি।তারপর এডসেন্স।
  • আচ্ছা চলুন জেনে নিই কোন কোন পেইজ আপনার ওয়েবসাইটে অবশ্যই থাকতে হবে????
  1. ABOUT US(যেখানে আপনার ওয়েবসাইট সম্পর্কে কিছু লিখতে হবে)
  2. CONTACT US(অর্থাৎ কেউ যদি আপনার সাথে যোগাযোগ করতে চায় তাহলে কিভাবে করবে)
  3. privacy and policy(গোপনীয়তা এবং নীতিমালা)
  4. terms of use/disclaimar(ব্যবহারের শর্তাবলী)
  5. copyright
উপরোক্ত ৫টি পেইজ অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটে থাকতে হবে।বাকিগুলো আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার।আপনি চাইলে কোনো পেইজ বা ক্যাটাগরি মেনুতে রাখতেও পারেন আবার নাও রাখতে পারেন।
  • প্রথমেই দেখাবো কিভাবে একটা পেইজ কে ইডিট করবেন???

  • প্রথমেই আপনাকে ওয়েবসাইটে লগইন করে নিতে হবে। কিভাবে করবেন এটা গত পর্বে দেখিয়েছি। মোবাইল ইউজারদের জন্য আমরা মোবাইল ভিউ এর ব্যবস্থা করেছি।তাই মোবাইল ইউজাররা চাইলে আমাদের ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে নিতে পারেন।sshot
  • এরপর আপনি চাইলে ড্যাশবোর্ডে গিয়ে pages>>> all pages এ গিয়ে ইডিট করতে পারবেন।অথবা নিচের ছবির মত যেই পেইজটা ইডিট করতে চান সেই পেইজে যান। আমরা sample page কে ইডীট করবো।
  • sshot
sshot
sshot
  • এরপর নিচের মত ইডিট করে আপডেট এ ক্লিক করুন।
  • sshot
  • sshotএখন দেখাবো কিভাবে পারমানেন্ট লিংক ইডিট/এড/চেঞ্জ করতে হয়।পারমানেন্ট লিংক কি তা নিচের ছবি দেখলেই বুঝতে পারবেন।
  • sshotকিভাবে???
  • দেখতে থাকুন... বেশি সমস্যা হলে নিচে ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে নিন...
  • আবার ইডিট পেইজ এ যান এরপর নিচের ছবিগুলো অনুসরণ করুন...
  • sshot
  • sshot
  • এবার একটা নতুন পেইজ তৈরি করবো যেটার নাম হবে  contact Us .নিচের ছবি অনুসরণ করুন।
  • sshot
sshot
sshot
এবার সব লিখে পাবলিশে ক্লিক করলেই পেইজ পাবলিশ হয়ে যাবে।এভাবে সকল পেইজগুলো তৈরি করে ফেলুন।

এখন দেখাবো কিভাবে আপনি ক্যাটাগরি তৈরি করবেন????

  • প্রথমেই post এরপর category তে ক্লিক করুন। নিচের ছবির মত।
  • মোবাইল স্ক্রিনে দেখাচ্ছি...
  • sshot
  • sshot
  • এরপর add category তে ক্লিক করলেই ক্যাটাগরি এড হয়ে যাবে।
এবার মেনুতে এড করার জন্য নিচের ছবিগুলো অনুসরণ করুন।
sshot
এবার save এ ক্লিক করলেই আমাদের এই ক্যাটাগরি আমাদের ওয়েবসাইটে এড হয়ে যাবে।
sshot
অনেক লিখে ফেলেছি।আর হাত চলতেছে না। আরও অনেক কিছুই বলতে পারলাম না। আসলে বলার চেষ্টা করেছি।কিন্তু রাত ১২টা বেজে ১৪মিনিট।সকালে ক্লাস আছে।তাই আর লিখতে পারলাম না।
তাই যেটুকু বলতে পারলাম না সেটুকু নিচের ভিডিও টিউটোরিয়াল থেকে দেখে নিন। আশা করি টিঊটোরিয়াল দেখলে অবশ্যই সব বুঝতে পারবেন, ইনশাআল্লাহ।
  • টিউটোরিয়াল দেখতে নিচে ক্লিক করুন।


source: http://www.techtunes.com.bd/wordpress/tune-id/466314

ওয়েবসাইট তৈরী সম্পূর্ন ফ্রিতে [পর্ব-০২] :: ওয়েবসাইট ডিজাইন বা থীমস ইন্সটলেশন

ওয়েবসাইট তৈরী সম্পূর্ন ফ্রিতে [পর্ব-০২] :: ওয়েবসাইট ডিজাইন বা থীমস ইন্সটলেশন


আসসালামু আলাইকুম।
আশা করি সবাই ভাল আছেন।আলহামদুলিল্লাহ,আপনাদের দোয়ায় আমিও ভাল আছি। আমি সব সময় চেষ্টা করি নতুন কিছু দেয়ার জন্য। আর আমার দেয়া প্রায় সকল টিউন কাজ করে।তবে যে দুই একটা টিউন কাজ করে না সেগুলো দেখে কখনোই ভাববেন না যে সেগুলো ভুয়া।আসলে সেগুলো এক সময় কাজ করতো।এখন হয়ত করে না। আমি চেষ্টা করি নতুন কিছু শেয়ার করার জন্য।
বিঃদ্রঃ সবার কাছে অনুরোধ,অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি টিউন এবং অনেক কষ্ট করে লিখা।তাই অবশ্যই লাইক,টিউমেন্ট এবং শেয়ার করুন।পারলে নির্বাচিত মনোনয়োনেও ক্লিক করুন।
টিউন  একটু বড় হবে।এতে আবার ভয় পাবেন না কিন্তু।আরে এটা এতই সহজ যে ক্লাস ফাইভ পাস করা রিক্সাচালকও পারবে। ভয় পেলে ঔষধ একটাই ভিডীও টিউটোরিয়াল দেখুন আর প্রাকটিক্যালী শিখুন।
আবার কেউ রাগ কইরেন না।রিক্সাচালকের কথা একারণেই বলেছি যেন আপনাদের ভয়টা কেঁটে যায়।
আচ্ছা যাই হোক আজকে আমরা আপনাকে দেখাবো আপনি কিভাবে আপনার ওয়েবসাইটটা কে ডিজাইন করবেন কোনো প্রকার কোডিং জানা ছাড়াই। যারা একটু জানেন তাদের জন্য প্লাস পয়েন্ট আছে।আর জানেন না তাদেরও কোনো সমস্যা নেই।
তো চলুন শুরু করা যাক। আমাদের প্রথম টিউটোরিয়াল না দেখলে দিতীয় টিউনের কিছুই বুঝতে পারবেন না।যারা এই বিষয়ে নতুন তারা টিউটোরিয়াল দেখে আসুন।
তো দ্বিতীয় পর্বের শুরুতেই আমাদের যেটা করতে হবে তা হচ্ছে আমরা প্রথম পর্বে যেই ওয়েবসাইট টা তৈরি করেছি সেই ওয়েবসাইটে লগইন করতে হবে।
লগিন করার জন্য নিচের ছবির মত লগইন এ ক্লিক করুন অথবা সরাসরি ভিজিট করুন
  • yourdomain বা subdomain/wp-admin
  • যেমনঃ sorolworld.is-best.net/wp-admin
    বা sorolworld.is-best.net/wp-login
wordpress-2
  • এরপর username and password দিয়ে লগইন করুন।
wordpress-2
আমাদের ওয়েবসাইটের ডিজাইন পরিবর্তনের জন্য আমাদেরকে এর থীমস পরিবর্তন করতে হবে। কোথায় এবং কিভাবে এই থীমস পাবেন তা ভিডিও টিউটোরিয়ালে বলা আছে। চাইলে নিচে থেকে সরাসরি ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে নিতে পারেন।
  • থীমস পরিবর্তনের জন্য আপনি appearance এ যান।এরপর themes এ ক্লিক করুন।এবং নিচের ছবির মত কাজ করুন।
wordpress-2
wordpress-2
  • তারপর নিচের ছবির মত পেইজ পাবেন।
wordpress-2
যদি গুগলে সার্চ করে থীমস খুঁজে ডাউনলোড করে থাকেন তাহলে আপলোড থীমস এ ক্লিক করে আপলোড করুন। এরপর এক্টিভেট করে নিন। অথবা সার্চ বক্স এ ব্লগ থীমস বা বিজনেস থীমস লিখে সার্চ দিন অসংখ্য থীমস পেয়ে যাবেন।আপনার পছন্দ মত আপলোড দিন। আমি আপনাদেরকে দেখানোর জন্য
  • redwaves নামে একটা থীমস ইনস্টল দিয়েছি।
wordpress-2
wordpress-2
  • দেখুন,থীমস আপলোড করার পর আমাদের ওয়েবসাইট কেমন হয়েছে...
wordpress-2
এবার নিজের মত ডিজাইন করতে customize এ ক্লিক করুন।
wordpress-2
এরপর আপনি কিভাবে কাস্টমাইজ করবেন তা আমাদের ভিডীও টিউটোরিয়াল থেকে দেখে নিন।কারণ এখানে লিখলে এখন শুধু টিউন বড়ই কিন্তু অনেকেই বুঝতে পারবে না।কারণ সবার মাথা এক না। আর যারা এই টিউন টি পড়তেছেন আমি মনে করি সবাই নতুন।
তাই যদি আমাদের টিউটোরিয়াল দেখেন আশা করি, ইনশাআল্লাহ আপনি সফলভাবে ওয়েবসাইট তৈরি এবং ডিজাইন করতে পারবেন কোডিং জানা ছাড়াই।
  • টিউটোরিয়াল দেখতে নিচে ক্লিক করুন।

কম্পিউটার টেকনোলজির ছাত্রদের বলছি, আপনারা এই টিউন অনুসরণ করা থেকে বিরত থাকুন।আপনাদের উচিত হবে আগে কোডিং শিখুন।এটা সর্ব সাধারণের জন্য। আর যদি বেশি ইচ্ছা থাকে তাহলে অনুসরণ করুন।

source: http://www.techtunes.com.bd/wordpress/tune-id/465296

ওয়েবসাইট তৈরী সম্পূর্ন ফ্রিতে [পর্ব-০১] :: ফ্রী হোস্টিং এ ওয়েবসাইট/ওয়ার্ডপ্রেস আপলোড

  • ওয়েবসাইট তৈরী সম্পূর্ন ফ্রিতে [পর্ব-০১] :: ফ্রী হোস্টিং এ ওয়েবসাইট/ওয়ার্ডপ্রেস আপলোড

বর্তমানে যদি এই টিউনের ফ্রী হোস্টিং সাইট কাজ না করে এবং রেজিস্ট্রেশন করতে না পারেন। তবে আপনি ১৫নম্বর টিউটোরিয়াল অনুসরণ করুন। ধন্যবাদ... 

আসসালামু আলাইকুম।
আশা করি সবাই ভাল আছেন।আলহামদুলিল্লাহ,আপনাদের দোয়ায় আমিও ভাল আছি। আমি সব সময় চেষ্টা করি নতুন কিছু দেয়ার জন্য। আর আমার দেয়া প্রায় সকল টিউন কাজ করে।তবে যে দুই একটা টিউন কাজ করে না সেগুলো দেখে কখনোই ভাববেন না যে সেগুলো ভুয়া।আসলে সেগুলো এক সময় কাজ করতো।এখন হয়ত করে না। আমি চেষ্টা করি নতুন কিছু শেয়ার করার জন্য।
বিঃদ্রঃ সবার কাছে অনুরোধ,অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি টিউন এবং অনেক কষ্ট করে লিখা।তাই অবশ্যই লাইক,টিউমেন্ট এবং শেয়ার করুন।পারলে নির্বাচিত মনোনয়োনেও ক্লিক করুন।

টিউটোরিয়াল একটু বড় হবে।এতে আবার ভয় পাবেন না কিন্তু।আরে এটা এতই সহজ যে ক্লাস ফাইভ পাস করা রিক্সাচালকও পারবে। ভয় পেলে ঔষধ একটাই ভিডীও টিউটোরিয়াল।

তো আজ যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো তা আগেই টাইটেল এ বলা আছে। কিভাবে কোডিং জানা ছাড়াই তৈরি করবো নিজের নামে বা প্রতিষ্ঠানের নামে ওয়েবসাইট।তাও আবার ফ্রীতে। অনেকের কাছেই মনে হতে পারে এটা কি সম্ভব???
অসম্ভবের কিছুই না। অবশ্যই সম্ভব।আর এর জন্য আপনার যা করতে হবে তা হচ্চে আপনার প্রথমেই একটা যেকোনো ফ্রী হোস্টিং ওয়েবসাইটে একাউন্ট করতে হবে। আমার ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখুন সেখানে বর্তমানে কাজ করে এবং ভবিষ্যতেও করবে এমন একটি ফ্রী হোস্টিং ওয়েবসাইট থেকেই হোস্টিং নিয়ে ভিডীও টিউটোরিয়াল টি তৈরি করেছি। তাই এখনই টিউটোরিয়াল দেখে নিন।আর টিউন দেখে যদি বুঝতে পারেন তাহলে টিউটোরিয়াল দেখার দরকার নাই। তবে আমি মনে করি যারা ভয় পাচ্ছেন যে মনে হয় পারবেন না তারা ভিডিও টিউটোরিয়ালটি দেখে নিন।একেবারেই সহজ। হয়েছে অনেক ঔষধ বেচার লেকচার দিয়েছি।এবার কাজের কথায় আসি...
দারুণ একটি ফ্রী হোস্টিং ওয়েবসাইটের নাম জেনে নিন এবং একটা একাউন্ট তৈরি করুন।একাউন্ট খোলা ফেসবুক একাউন্ট খোলা থেকেও সহজ।তাই আর বললাম না। নিজেই পারবেন।না পারলে টিউটোরিয়াল।তবুও বলি sign up এ ক্লিক করার পর নিচের ছবির মত দেখতে পাবেন...
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
  • একাউন্ট তৈরির পর login এ ক্লিক করুন।
  • %e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8bএরপর আপনার ইমেইলে দেয়া username এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।লগইন করার পর নিচের ছবি অনুসরণ করুন।
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b

টিউটোরিয়াল বড় হয়ে যাচ্ছে দেখে ভয় পাচ্ছেন।আরে এটা এতই সহজ যে ক্লাস ফাইভ পাস করা রিক্সাচালকও পারবে। ভয় পেলে ঔষধ একটাই ভিডীও টিউটোরিয়াল।

  • আচ্ছা এরপর একটা সাবডোমেইন তৈরি করুন।আর আগে কেনা ডোমেইন থাকলে addon domain এ ক্লিক করে পার্ক করে নিন। না থাকলে সাবডোমেইন নিচের মত...
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
  • এরপর আবার home এ ক্লিক করুন। এবং নিচের ছবিগুলো অনুসরণ করু্ন।
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
  • এরপর choose domain এ নিচের ছবির মত কিছুক্ষণ আগে তৈরি করা সাবডোমেইন এ select করুন।directory এর সব কিছু ব্লাংক করে দিন।
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
  • উদাহারণঃ
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
  • আপনি আপনার ওয়েবসাইটে যে নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে চান তা দিন.
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
  • site language সিলেক্ট এবং limit login attempts এ টিক দিয়ে install এ ক্লিক করুন।
  • এরকম দেখাবে এবং ইনস্টল হবে.২মিনিটের মত অপেক্ষা করুন... এটা আপনার নেট স্পিডের উপর নির্ভর করবে।তবে ২জি হলে সর্বোচ্চ ৫মিনিট লাগবে।
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
  • congratulations,জানানোর পর আপনি আপনার ওয়েবসাইটে লগইন করতে পারবেন।তারা একটা নরমাল ডিজাইন দিবে।সেটাকে ডিজাইন করতে পারবেন কোডিং ছাড়াই। এছাড়া টিউন ও করতে পারবেন।আমরা এতক্ষন যে ওয়েবসাইট তৈরি করলাম তা দেখে নিন।
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
আপনি চাইলে আপনার ওয়েবসাইটকে আপনি টেকটিউনস এর মত ডিজাইন করতে পারবেন। আর চাইলে ট্রিকবিডি বা ট্রিকবিডি নাম্বার ওয়ান এর মতও. তো কিভাবে করবেন তা জানতে আমাদের পরবর্তী টিউটোরিয়াল এর জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে।
অনেক কষ্ট করে টিউন টা লিখলাম।তাই অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে টিউমেন্ট,লাইক,শেয়ার এবং নির্বাচিত মনোনয়োনের আশা করছি।
ধন্যবাদ সবাইকে।
আল্লাহ হাফিজ আজকের মত।দেখা হবে পরের টিউটোরিয়ালে।
প্রযুক্তির সাথে থাকুন,প্রযুক্তিকে ভালবাসুন।
ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখতে নিচে ক্লিক করুন।



source: http://www.techtunes.com.bd/wordpress/tune-id/462964

ব্লগে কাঙ্খিত ভিজিটর পেতে আপনার করনীয় কাজগুলো (মেগা টিউন)

ব্লগে কাঙ্খিত ভিজিটর পেতে আপনার করনীয় কাজগুলো (মেগা টিউন)


Image result for ব্লগে কাঙ্খিত ভিজিটর পেতে আপনার করনীয় কাজগুলো (মেগা টিউন)

















সবাইকে আমার সালাম! কিছু দিন থেকে একটু ব্যস্ত ছিলাম আমার পড়াশুনা নিয়ে , এদিকে আমার ওয়েবসাইটকে নতুন সার্ভারে ট্রান্সফার করলাম। যাই হোক এদানিং সবাই নিজের একটা ব্লগ বা ওয়েবসাইট বানাছে। কেউ শখের বসে , কেউ বা টাকা ইনকামের জন্য । কিন্তু অনেকের মধ্যে একটা ভুল ধারন আছে , তারা মনে করে ব্লগ বানালেই মনে হয় হাজার হাজার ভিজিট এসে যাবে ! কেউ কেউ নিজে নিজে লিখতেছে আবার কেউ কেউ বিভিন্ন জায়গা হতে কপি-পেস্ট করে ব্লগ ভরিয়ে দিচ্ছে , কিন্তু ব্লগ তেমন ভিজিটর পাচ্ছে না। ফলাফল কয় একদিন পর ব্লগিং থেকে বিদায় নিচ্ছে। ঝড়ে যাচ্ছে কিছু ভাল মেধা , যাদের কাছ থেকে হয়ত বা আমরা আর নতুন কিছু পেতে পারতাম। তবে আমার আজকের এই পোস্ট সেই সব ব্লগারদের জন্য যারা নিজে নিজে ব্লগ লিখতেছে কোন কপি-পেস্ট করতেছে না এবং অনেক শ্রম দিচ্ছেন।

আপনি একজন ব্লগার , একবার চিন্তা করুন আপনি যখন ব্লগ খুলেছে কখন চিন্তা করেছে আপনি কি জন্য ব্লগ খুলতেছেন? কেন ব্লগ খুলতেছেন? কোন বিষয়ের উপর ব্লগ খুলতেছেন? কি আমি জানি অনেকেই এই চিন্তা গুলো করে না । আপনি যদি টাকা ইনকামের কথা চিন্তা করে ব্লগিং করেন তাহলে ভুল করছেন, আপনাকে ব্লগিং করতে হবে নিজের ভালবাসা থেকে, কারন কোন বিষয় যদি ভালবাসা না থাকে তাহলে সেই কাজ হতে সাফল্য পাওয়া সম্ভব না। আপনি যদি একজন সফল ব্লগার হতে চান বা আপনার ব্লগকে পপুলার করতে চান তা হলে নিচের জিনিস গুলো অনুসরন করতে চেস্টা করুন।

সুন্দর একটা ব্লগের নাম নির্বাচন করুন

একটা ব্লগ বা ওয়েবসাইটের ডিজাইন ভাল হলে হয় না এর ডোমেইন নাম অনেক বড় একটা ব্যপার। আপনার প্রথমে একটা ভাল ডোমেইন নাম সংগ্রহ করতে হবে। আপনি আগে আপনার ডোমেইন নেম টা নির্বাচন করুন এরপর আপনার ডোমেইন নেম চেক করে দেখুন আছে কি না। যদি থাকে আপনি এটা ইন্টারনেট থেকে কিনতে পারবেন । অনলাইন এ ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন করার কয় একটা পপুলার সাইট হল
এগুলো থেকে ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন করতে আপনার খরজ হবে ৭-১০ ডলারের মত যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬০০-৭০০ টাকা । এবং প্রতি বছর এর রেনু ফি ৭-১০ ডলার অর্থাৎ আপনার প্রতি বছর ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৭০০ টাকা । খূব একটা বেশি না । আর আপনি অনলাইনে এই ডোমেইন নেম কিনতে আপনাকে পেপাল বা ভিসা কার্ড ,মার্স্টার কার্ড ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া এ ব্যবস্থা না থাকলে আপনি বাংলাদেশী কোম্পানি গুলো হতে আপনি বাংলাদেশী টাকায় ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন ।

এবার আমি ডোমেইন নেম নেয়ার সময় যে দিক গুলোর কথা আপনার খেয়াল রাখতে হবে তাহল
  • সবচেয়ে সহজ নামে ডোমেইন নেম নির্বাচন করুন যাতে আপনার ভিজিটরা সহজে আপনার ডোমেইন নেম টা মনে রাখতে পারে ।যেমন http://www.bdtutorial24.com
  • আপনার ডোমেইন নেম যাতে কোন বড় মানের ওয়েবসাইটের [www.google.com ,www.yahoo.com] সাথে মিলে না যায় । যেমন http://www.bdyahoo24.com , http://www.bdgoogle24.com ইত্যাদি। এতে আপনার ডোমেইন নেম সমস্যা হতে পারে এবং আপনার নামে বাতিল হতে পারে ।তাই এ বিষয় টা মনে রাখবেন ।
  • ডোমেইন নেম বড় হলে যেমন http://www.fahimrezabadhon.com এটা মনে রাখা কঠিন হতে পারে , তাই এই নামের মাঝে আপনি ডেশ [-] ব্যবহার করতে পারেন যেমন http://www.fahim-reza-badhon.com ।
  • ডোমেইন নেম বড় করা হতে বিরত থাকুন । যেমন http://www.thelongestlistofthelongeststuffatthelongestdomainnameatlonglast.com

ব্লগের জন্য ভাল একটা লোগো ডিজাইন করুন

ব্লগ সুন্দর কাজ করলেন কিন্তু একটা ভাল লোগো নাই জিনিস্ টা কেমন হল বলুন তো? লোগো আপনার সাইটের নাম এর বৈশিস্ট বহন করে! লোগো দেখে যেন বুঝা যায় এটা অমুখ ভাই/বোনের ব্লগ বা ওয়েব সাইট, তাই না। আপনি নিজে যদি লোগো ডিজাইন না জানেন কিছু পয়সা খরজ করেন না কেন? এখানে তো একবারেই ইনভেস্ট করবেন কিন্তু এর প্রফিট সারা জীবন পাবেন। তাই একটা ভাল লোগো ডিজাইন করুন এতে আপনার সাইটের কিছু টা হলেও গ্রহন যোগ্যতা বাড়বে।

নিয়মিত পোস্ট দিন

খুব ধুম ধাম ব্লগ ডিজাইন করলেন কিন্তু আপনি আপনার ব্লগে নিয়মিত না তাহলে আপনার পাঠকরা কেন নিয়মিত হবে? ব্লগ এর প্রান হচ্ছে পাঠক ও পোস্ট । আপনার ব্লগে যত মানসম্পন পোস্ট দিবে সেরকম হারে পাঠক পাবেন। আপনি ব্লগে নিয়মিত পোস্ট করে দেখুনতো পাঠক কেমন হারে বাড়তে থাকে।এভাবে দেখবেন একটা সময় আপনার ব্লগে এমন একটা পাঠকগোষ্টী সৃস্টি হয়েছে যারা নিয়মিত আপনার ব্লগ পড়তেছে এবং মন্তব্য করতেছে। তাই আপনার ব্লগে আপনি একটু নিয়মিত হবার চেস্টা করুন।

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন হল এমন একটা মাধ্যম যা আপনার সাইটে অনেক ভিজিটর এনে দিতে পারে। আপনি আপনার ব্লগের সুবিধাদি নিয়ে লিফটলেট বানাতে পারেন তা বিতরন করুন এছাড়া বিভিন্ন ব্লগ ম্যাগাজিন , পেপারে আপনার ব্লগ বা সাইটের রিভিও দিন। পাশাপাশি আপনি নিজে নিজে সবাইকে জানান, আপনি যদি ভার্সিটির স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে বন্ধুদের জানা তাদের লিঙ্ক শেয়ার করার কথা বলুন। আপনার সাইটে যদি ভাল পোস্ট পায় দেখবেন এখান থেকে কিছু নিয়মিত পাঠক পাবেন।

অন্যের ব্লগে মন্তব্য করুন এবং মন্তব্যের জবাব দিন

আপনি অন্য ব্লগে মন্তব্য করুন এবং সেখানে আপনার আইডি হিসাবে আপনার সাইটের নাম দিন। এছাড়া আপনি বিভিন্ন ফোরামের সাথে থাকুন , সেখানে যে সাক্ষর দেওয়ার স্থানে আপনি আপনার লোগো সাথে আপনার সাইটের লিঙ্ক দিন দেখবেন এখান থেকে আপনি ভাল কিছু ভিজিটর পাবে এবং এতে আপনার পেজ র‍্যাংক একটু উন্নতি হবে।

আপনার ব্লগ যখন কিছু নিয়মিত পাঠক হবে তাদের সমস্যা নিয়ে বা বিভিন্ন কারনে যখন মন্তব্য করবে খুব তারা তারি তার মন্তব্যের জবাব দেওয়ার চেস্টা করুন এতে আপনার প্রতি আপনার পাঠকদের গ্রহনযোগ্যতা বাড়বে। এবং তারা আপনাকে ভাল চোখে দেখবে এবং সাহায্যের জন্য নিয়মিত আপনার ব্লগে আসবে।

ইউনিক আর্টিকেল লিখুন

সব সময় ইউনিক পোস্ট দেওয়ার চেস্টা করবেন অর্থাৎ আপনি যে পোস্ট করবেন অন্য ব্লগ যেন এই পোস্ট না থাকে । চেস্টা করবেন সাম্প্রতিক ঘোটে যাওয়া বিষয় গুলো নিয়ে লিখতে, এতে ভাল ভিজিটর পাওয়া যায়। সময় এমন টপিক নির্বাচন করুন যা পাঠকরা চায় , পাঠকদের চাহিদার কথা জানার চেস্টা করুন এবং সেই রকমের পোস্ট দিন।

ভাল ছবি ব্যবহার করুন

আপনি যে পোস্ট গুলো করবেন তাতে প্রয়োজনীয় ছবি বা স্কিন শর্ট অবশ্যই যুক্ত করবেন, কারন এই ছবি গুলো দেখলে ভিজিটর খুব সহজে সব কিছু বুঝে এবং আপনি এই ছবি গুলো থেকে অনেক ভিজিটর পেতে পারেন। আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস ইউজার হয়ে থাকেন তবে আপনি এই ইমেজ সাইটম্যাপ প্লাগইন ব্যবহার করতে পারেন। এটি তৈরি করেছেন আমার প্রিয় একজন ব্লগার Amit Agarwal । এই প্লাগিন নিয়ে আর জানতে এই পেজ টি দেখুন।

ই-মেইলে সাক্ষর ব্যবহার করুন

আপনি আপনার ইমেইল এ সাক্ষর ব্যবহার করুন।আপনার সাক্ষর হিসাবে আপনার ব্লগের লোগো এবং তাতে আপনার লিঙ্ক দিয়ে দিন। আপনি বিভিন্ন সময় অনেকেই মেইল করে থাকেন , এতে আপনার ব্লগের লিঙ্ক বিভিন্ন যায়গায় চলে যাবে এবং এ থেকে আপনি কিছু ভিজিটর পেতে পারেন।

নিউজলেটার সিস্টেম চালু রাখুন

আপনি আপনার ব্লগে নিউজলেটার সার্ভিস চালু রাখুন। কারন সব ভিজিটরের পক্ষে প্রতিদিন আপনার ব্লগ আসা সম্ভব না , তাই তাদের সুবিধার জন্য নিউজলেটার সার্ভিস চালু রাখুন। আর আপনাদের এই সুবিধা দিচ্ছে FeedBurner ।

ব্লগ কমিউনিটির সাথে যুক্ত থাকুন

আপনি আপনার ব্লগকে ব্লগ কমিউনিটি তে সাবমিট করুন। কারন এথেকে আপনি অনেক পরিমান ভিজিটর পেতে পারেন। জনপ্রিয় কিছু ব্লগ কমিউনিটি হলঃ

আপনি ব্লগ কমিউনিটি গুলোতে নিবন্ধন করে আপনার ব্লগ লিঙ্ক সাবমিট করুন, দেখবেন এখান হতে অনেক ভাল পরিমা ভিজিটর পাবেন।

ফেসবুকে শেয়ার করার ব্যবস্থা রাখুন

এই সময় ব্লগকে পপুলার করা মাধ্যম হল ফেসবুক। আপনি এই ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার ব্লগ অনেক ভিজিটর বা পাঠক পেতে পারেন। আপনি আপনার ব্লগের নামে একটা পেজ ওপেন করুন, পেজ তি সবার সাথে শেয়ার করুন এবং আপবার আপনার ব্লগের সর্বশেষ পোস্ট আপডেট করার ব্যবস্থা রাখুন দেখবেন এখান থেকে আপনি অনেক পরিমান ভিজিটর পাচ্ছেন। এছারা আপনি আপনার ব্লগ ফেসবুক লাইক বাটন বা ফেসবুক শেয়ার বাটন ব্যবহার করুন এতে আপনার ব্লগের পাঠকরা তাদের বন্ধুদের কাছে শেয়ার করতে পারবে।

টুইটারে শেয়ার করার ব্যবস্থা রাখুন

এই সময় ব্লগকে পপুলার করা আর একটা মাধ্যম হল টুইটার । আপনি এই টুইটারের মাধ্যমে আপনার ব্লগ অনেক ভিজিটর বা পাঠক পেতে পারেন। আপনি আপনার ব্লগের নামে একটা টুইটার একাউন্ট ওপেন করুন, আপনার ব্লগের সর্বশেষ পোস্ট আপডেট করার ব্যবস্থা রাখুন দেখবেন এখান থেকে আপনি অনেক পরিমান ভিজিটর পাচ্ছেন। এছারা আপনি আপনার ব্লগ টুইটার শেয়ার বাটন ব্যবহার করুন এতে আপনার ব্লগের পাঠকরা তাদের বন্ধুদের কাছে শেয়ার করতে পারবে।

অপ্রয়োজনীয় পোস্ট করা থেকে বিরত থাকুন

অনেকে দেখায় যায় তারা যা পায় তা নিয়ে লিখে , কিন্তু আপনাকে চিন্তা করতে হবে বর্তমান পাঠকরা কি চায় ! আপনার ব্লগে সব সময় চেস্টা করবেন অপ্রয়োজনীয় পোস্ট না করা। কারন এথেকে আপনি অনেক পাঠক হারাতে পারেন। আপনি যদি সঠিক ভাবে পাঠকদের চাহিদা মিটাতে না পারেন তাহলে একসময় আপনার ব্লগ পাঠক শূন্য হয়ে যাবে। তাই অপ্রয়োজনীয় পোস্ট করা বন্ধ করে কম হলেও কাজের পোস্ট করুন।

সফল ব্লগারদের ব্লগ পড়ুন

একটা মানুষ নিজে নিজে সব কিছু শিখে না, আর যারা শিখে তারা হয় মহাজ্ঞানী। আমি যেহেতু মহাজ্ঞানী না তাই আপনি সব সময় সফল ব্লগারদের ব্লগ পড়ি। তারা কিভাবে সাফল্য পেলো তা জানার চেস্টা করি। আপনি সময় সফল ব্লগারদের ব্লগ পড়ূন। তাদের কে অনুপ্রেরনা হিসাবে কাজে লাগান। আমি সময় আমার প্রিয় ব্লগার Amit Agarwal এর ব্লগ পড়ি।

সহজ শব্দ বা বাক্য ব্যবহার করুন

শব্দ বা বাক্য একটা পোস্ট অনেক বড় জিনিস। আপনি যদি এমন শব্দ ব্যবহার করেন যা আপনার পাঠকরা বুঝতে না পারে তাহলে সেই পোস্ট করার কোন মানে হয়। কোন ভাল আর্টিকেল লেখার সময় মনে রাখবেন যত সহজ ভাষায় আপনি আপনার পাঠকে বুঝাতে পারেন। অঝথা কঠিন কোন বাক্য বা শব্দ ব্যবহার করবেন না। আশা করি এই ব্যপার টা মাথায় রাখবেন।

প্রতিযোগিতার আয়োজন করুন

ব্লগকে চাংগা রাখার জন্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করুন। সেখানে পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখুন। পাঠকদের আকৃষ্ট করার জন্য ভাল ভাল সুবিধা রাখুন। তাদের সকল বিষয় সাহায্য করুন।

অথিতি ব্লগার হিসাবে পোস্ট দিন

ভাল পাঠক পাবার আর একটা উপায় হল অন্য কোন জনপ্রিয় ব্লগে অথিতি লেখক হিসাবে লেখা। এতে সেই ব্লগ থেকে আপনি ভাল পাঠক পেতে পারেন। কারন আপনি যখন অন্য কোন ব্লগে আপনি ভাল কোন লেখা দিবেন তখন তারা আপনার আর লেখা দেখতে আপনার ব্লগ আসবে। তাই অথিতি হিসাবে ভাল মানের লেখা জমা দিন।

আমি এই পোস্ট করেছি আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে। এখানের অনেক জিনিস বা সব জিনিসেই আপনার জানা থাকতে পারে কিন্তু আপনি হয়ত কাজে লাগাছেন না। আমার মনে হয় আপনি এই জায়গায় বড় একটা ভুল করতেছেন। আমি এখানে যা বলেছি তা থেকে একটি কথায় বলতে চাই আপনি যদি ভাল মানের আর্টিকেল লিখেন , ইউনিক আর্টিকেল আর নিয়মিত হতে পারেন আপনি অবশ্যই সাফল্য পাবেন। আর ব্লগিং এ একটু ধর্য্য ধরুন দেখবেন সাফল্য আসবেই। আর সেই সাফল্যের যে কি আনন্দ বা মজা তা যারা পায় শুধু তারাই জানে। যা হোক এতখন আমার এই বিরক্তকর লেখাটা পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। ভাল থাকেব আমার জন্য দোয়া করবেন , এভাবে যে আমি আপনাদের মাঝে থাকতে পারি আর বাংলা ব্লগিং করে যেতে পারি। খোদা হাফেজ

source: http://www.techtunes.com.bd/tutorial/tune-id/60346

আপনি জানেন কি, সিপিইউ থেকে হ্যাক হতে পারে আপনার সম্পূর্ণ কম্পিউটার?




আপনি জানেন কি, সিপিইউ থেকে হ্যাক হতে পারে আপনার সম্পূর্ণ কম্পিউটার?



যদি আপনাকে বলি, আপনার কম্পিউটারের সাথে এমন একটি স্পেশাল চিপ লাগানো রয়েছে—যেটি আপনার কম্পিউটারের সকল হার্ডওয়্যারকে নিয়ন্ত্রন করার ক্ষমতা রাখে এবং রিমোট ভাবেও একে অ্যাক্সেস করা যায় এবং এটিকে ডিসেবল করার কোন উপায় নেই। কি শুনতে অদ্ভুত লাগছে? অদ্ভুত হলেও ব্যাপারটি সম্পূর্ণ সত্য এবং ভয়াবহও বটে। আজকের আর্টিকেলে এমন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো, যা হয়তো আপনি আগে কখনোই শোনেন নি।

প্রসেসর রিস্ক?


আজকের বেশিরভাগ কম্পিউটার গুলোর প্রাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয় ইনটেল এবং এএমডির প্রসেসর গুলো। আপনি যদি ইনটেল প্রসেসরের কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকেন তবে নিশ্চয় ইনটেল ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিন নামটি শুনেছেন বা ড্রাইভার ইন্সটল করার সময় দেখেছেন। আবার আপনি এএমডি ইউজার হলে প্লাটফর্ম সিকিউরিটি প্রসেসর নামটি শুনে থাকবেন। কিন্তু আপনি জানেন কি গত দশ বছর ধরে যতোগুলো কম্পিউটার তৈরি হয়েছে এদের মধ্যে ইনটেল এবং এএমডির প্রসেসর দিয়ে চলা কম্পিউটারে এই দুই ধরনের চিপ লাগানো রয়েছে—আর এই চিপ গুলো সকল কম্পিউটারের ব্যাকডোর হিসেবে কাজ করে। যদিও ইনটেল এবং এমডি এটা প্রতিজ্ঞা করে, এই ব্যাকডোর শুধু তারা তাদের বৈধ কাজে ব্যবহার করে, তারপরেও কিছু কারণ রয়েছে যার জন্য আপনার দুশ্চিন্তা করা জায়েজ রয়েছে।

ইনটেল ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিন

তো ইনটেল ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিন মূলত কি জিনিস? এটি মূলত একটি ভিন্ন এবং সহযোগী প্রসেসর চিপ বলতে পারেন, যেটি ফিজিক্যালি প্রত্যেকটি ইনটেল চিপসেটের সাথে চিপকানো থাকে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ইনটেল ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিন আপনার মূল কম্পিউটারের মধ্যের আরেকটি কম্পিউটার বলতে পারেন। কিন্তু সবচাইতে ভয়াবহ ব্যাপার হলো, প্রায় আমরা কেউই জানিনা এটি কি কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত ইনটেলের মালিকানাধীন কোডের উপর কাজ করে এবং ইনটেল এর সোর্স কোড কখনোই রিলিজ করে না। তবে অবশ্যই এতে বৈধ ফিচার রয়েছে যেগুলো ইনটেল তাদের সেবার মানকে উন্নয়ন করার জন্য ব্যবহার করে। চলুন নিচের লিস্ট থেকে জেনে নেওয়া যাক এই হার্ডওয়্যার কি কাজ গুলো করতে পারে;
  • এটি সরাসরি আপনার র‍্যামের উপর নিয়ন্ত্রন গ্রহন এবং র‍্যাম ব্যবহার করতে পারে, এবং র‍্যাম ব্যবহার করার জন্য মেইন সিপিইউ এর মোটেও সহযোগিতা গ্রহন করে না
  • এটি আপনার কম্পিউটারের সাথে কানেক্টেড থাকা সকল যন্ত্রানুষঙ্গ এর উপর নিয়ন্ত্রন নিতে পারে; মাউস, কীবোর্ড, হার্ডড্রাইভ, এক্সটার্নাল ড্রাইভ, ওয়েবক্যাম ইত্যাদি সবকিছু অপারেট করতে পারে
  • এটি আপনার কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসের সাথে কানেক্টেড হয়ে সহজেই যেকোনো নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক সেন্ড বা রিসিভ করার ক্ষমতা রাখে, তাছাড়া এটি ইন্টারনেট ফায়ারওয়ালকে আরামে বাইপাস করতেও সক্ষম
  • তাছাড়া এটি কম্পিউটারের সম্পূর্ণ অপারেটিং সিস্টেমকে বাইপাস করার ক্ষমতা রাখে, এমনকি কম্পিউটারে কোন অপারেটিং সিস্টেম না থাকলেও এটি কম্পিউটারকে অপারেট করার ক্ষমতা রাখে
  • এই প্রসেসর চিপের এতো ক্ষমতা থাকার পরেও এটি রিমোট ভাবে আপনার কম্পিউটার অন বা অফ করার ক্ষমতা রাখে, অর্থাৎ আপনার কম্পিউটার অফ থাকা অবস্থায়ও এটি অনেক কিছু করতে পারে
এই চিপের ফিচার গুলো দেখে নিশ্চয় ভাবছেন, “আরে, ফাজলামু নাকি? এই চিপ এতো কিছু অ্যাক্সেস করেই বা কীসের জন্য আর এই চিপ কোম্পানি বানিয়েছেই বা কেন? আবার তার উপরে এই ফিচার গুলোকে আমি ডিসেবলও করতে পারবো না!” এই চিপটিকে আপনার কম্পিউটারের সাথে চিপকিয়ে দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে রিমোট ভাবে আপনার কম্পিউটারটি আপডেট বা রিপেয়ার করে দেওয়ার জন্য। আপনি ভালো করেই জানেন, ইনটেলের মতো দৈত্যাকার কোম্পানির কাছে কতোগুলো গ্রাহক থাকে, এখন এই কোটি গ্রাহকের সাপোর্ট সেবা দেওয়ার জন্য ইনটেল তো নিশ্চয় সবার বাড়ি বাড়ি যাবে না, তাই না? তাই এরা এরকম সিস্টেম আগে থেকেই সেটআপ করে রাখে যাতে একসাথে বাল্কভাবে সকল সিস্টেম গুলোতে আপডেট এবং রিপেয়ার করে দিতে পারে।
এখন হয়তো বলবেন, “ঠিক আছে, ভালো ফিচার এবং অনেক ইউজার এ থেকে উপকৃতও হবে, কিন্তু এটা আমার পার্সোনাল কম্পিউটার আর আমার এই জিনিষের দরকার নেই, তাই ইনটেল এখন আমাকে বলো কীভাবে আমি এটাকে ডিসেবল করবো?” আর এখানেই আপনার জন্য দুঃসংবাদ, আপনি ইনটেল ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিন চিপের কার্যক্রমকে ডিসেবল করতে পারবেন না এবং এমন কোন ইনটেল প্রসেসর বাজারে কিনতেও পাবেন না, যেখানে আগে থেকে এই চিপ লাগানো নেই। এমনকি আপনি যদি ইনটেল বাদ দিয়ে এএমডি প্রসেসর ব্যবহার করার চিন্তা করেন তারপরেও এটিকে স্কীপ করতে পারবেন না। কেনোনা আগেই উল্লেখ্য করেছি, এএমডি প্রসেসরেও তাদের এই ধরনের চিপ লাগানো রয়েছে, যার নাম প্লাটফর্ম সিকিউরিটি প্রসেসর বা পিএসপি। আর ইনটেল ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিনের মতো এটিও আপনার কম্পিউটারের সকল কিছু ম্যানেজ করার ক্ষমতা রাখে এবং আমাদের কোন ধারণায় নেই এটি কোন কোডের উপর কাজ করে।

সেলফোনে?

“তো ঠিক আছে ভাই, বুঝলাম! আমার কম্পিউটারে এক সিক্রেট ব্যাকডোর রয়েছে আর আমি সেটাকে ডিসেবলও করতে পারবো না, কিন্তু আমার সেলফোনতো এই ব্যাপার থেকে নিরাপদ তাই না? কেনোনা সেলফোনে তো ইনটেল বা এএমডির প্রসেসর লাগানো থাকে না! তো এই দিক থেকে অন্তত নিরাপদ, নাকি?” জী না, ভুল কথা! আপনি কখনোও কি বেসব্যান্ড প্রসেসরের সম্পর্কে শুনেছেন? অবশ্যই শোনেন নি, কিন্তু প্রত্যেকটি সেলফোনে এই প্রসেসর লাগানো থাকে, এটি মূলত ফোনের এন্টেনা থেকে রেডিও সিগন্যাল এবং ডিজিটাল সিগন্যালকে কনভার্ট করে। তো অবশ্যই আপনার ফোনটি প্রোপারভাবে কাজ করার জন্য এই চিপ থাকার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে এবং অবশ্যই হ্যাঁ, এই চিপ আপনার ফোনের সকল ডাটার উপর নিয়ন্ত্রন রাখার লো লেভেল অ্যাক্সেস রয়েছে। আরেকটি কথা জেনে রাখা ভালো, ইনটেলের ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিন এবং এএমডির প্লাটফর্ম সিকিউরিটি প্রসেসরের মতো বেসব্যান্ড প্রসেসরের কোডিও মালিকানাধীন। অর্থাৎ যে প্রস্তুতকারী কোম্পানি আপনার ফোনটি বানিয়েছে তার নিজের কোড দ্বারা এই প্রসেসরকে লাগিয়ে থাকে, যেটা এমনিতে কেউ অ্যাক্সেস করতে পারবে না, কিন্তু প্রসেসরটি নিজে সবকিছু অ্যাক্সেস করার ক্ষমতা রাখে।

পয়েন্ট?

“সবই বুঝলাম ভাই, ব্যাট এতক্ষণের আলোচনার পয়েন্ট কি? ইনটেল আর এএমডি তো আমাদের পিসি হ্যাক করবে না, তাই না? আবার কোডটিতে নিশ্চয় বিশাল এনক্রিপশন লাগানো রয়েছে, তাহলে এই আলোচনার ফলাফল কি?” —হ্যাঁ ভাই, অবশ্যই ইনটেল বা এএমডি এই সিক্রেট ব্যাকডোর ব্যবহার করে আপনার কম্পিউটারের উপর নজর রাখা বা একে হ্যাক করবে না। কিন্তু এখানে শুধু ইনটেল বা এএমডি একাই ভয়ের কারণ নয়। এখানে ভয়ের ব্যাপার হলো এই চিপ যদি কোন হ্যাকার গ্রুপ ক্র্যা**ক করে ফেলে অথবা কোন গভর্নমেন্ট যদি এর অ্যাক্সেস নেওয়ার চেষ্টা করে তবে সেটা নিঃসন্দেহে ভয়াবহ হতে পারে। হ্যাঁ, এই চিপে অনেক হার্ডকোর এনক্রিপশন লাগানো রয়েছে, কিন্তু আমি আগেই বলেছি কোন এনক্রিপশনই আপনাকে ১০০% নিরাপত্তা দিতে পারবে না। ক্র্যা**ক করতে অনেক কঠিন বা কষ্ট সাধ্য হলেও এমনটা কিন্তু নয় যে, সেটা ক্র্যা**ক করায় যাবে না।
হতে পারে কোন হ্যাকার এই চিপের অত্যন্ত চালাকির সাথে কোন দুর্বলতা খুঁজে বেড় করে ফেলবে, আর এটি যদি সম্ভব হয় তবে সে এই পৃথিবীর প্রায় যেকোনো কম্পিউটারের উপর নিজের নিয়ন্ত্রন নিয়ে ফেলতে পারবে যেগুলো ইনটেল বা এএমডির প্রসেসরে রান করে। আর যেহেতু এই চিপ কম্পিউটারের মেইন প্রসেসরকে বাইপাস করে কাজ করে, তাই আপনার পিসিকে হ্যাক অ্যাটাক থেকে বাঁচানো প্রায় অসম্ভব নয় বরং সম্পূর্ণ অসম্ভব। যেহেতু এই চিপ সরাসরি পিসির নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসের সাথে কানেক্টেড হয়ে কাজ করতে পারে এবং ট্র্যাফিক রিসিভ এবং সেন্ড করতে পারে তাই হ্যাকার সহজেই আপনার কম্পিউটারে যেকোনো ম্যালওয়্যার ইনজেক্ট করিয়ে দিতে পারে। ম্যালওয়্যারটিকে যদি অপারেটিং সিস্টেম ফায়ারওয়াল ব্লক করে দেয় তবে এই চিপ সেই ব্লককে সহজেই বাইপাস করে নিতে পারে।
যদিও এই চিপ এবং এই চিপের কোড ক্র্যা**ক হওয়া প্রচণ্ড কঠিন ব্যাপার তার পরেও অসম্ভব কিছু নয়। আমরা ১% হলেও এমন অজানা কোন হ্যাক অ্যাটাকের সম্ভবনায় রয়েছি। এখানে আরেকটি কথা চিন্তা করার মতো, দেখুন এই চিপের কোড কিন্তু মালিকানাধীন, যদি ওপেন সোর্স কোড হতো হবে সবাই এর কোড পড়তে পারতো এবং যদি এতে কোন ত্রুটি থাকে তবে হয়তো কোন ভালো আইটি স্পেশালিষ্ট কোম্পানিকে জানিয়ে দিতে পারতো, সেই ত্রুটিকে কোন ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকার ডিটেক্ট করার পূর্বে। কিন্তু যেহেতু এটির কোড কেউ জানেনা এবং এটি একটি ক্লোজড কোড তাই ভালো মানুষ এর ত্রুটি খোঁজার আগে খারাপ ব্যক্তিই আগে ত্রুটি খোঁজার চেষ্টা করবে, আর কোন ক্রমে সে সফল হয়ে গেলে নিশ্চয় সে আর সেটা কোম্পানিকে শেয়ার করবে না।

শেষ কথা

হ্যাক হওয়ার সম্ভবনা যতোই অল্প হোক না কেন, তবে এই ধরনের হ্যাক অ্যাটাক যে ঘটতে পারে এই ব্যাপারে আন্দাজ করা যায়। যদি প্রসেসর থেকে হ্যাক অ্যাটাক হয়েই যায়, সেক্ষেত্রে আমরা কি করতে পারবো? কিছুই না! একেবারেই কিছু করতে পারবো না। এটা একদমই ব্যাপার না আপনি কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করছেন কিংবা কতো শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করছেন। আসলে অনেক সময় অনেক স্ট্রং পাসওয়ার্ডও আপনাকে নিরাপত্তা দিতে পারে না। ধরুন আপনি ৫০ অক্ষরের পাসওয়ার্ড সেট করে রেখেছেন, কিন্তু কেউ আপনার মাথায় বন্দুক ধরে পাসওয়ার্ড জিজ্ঞাসা করলে নিমিষেই বকে দেবেন!


Source: http://www.techtunes.com.bd/featured/tune-id/486902