July 13, 2017

ওয়েবসাইট তৈরী সম্পূর্ন ফ্রিতে [পর্ব-০১] :: ফ্রী হোস্টিং এ ওয়েবসাইট/ওয়ার্ডপ্রেস আপলোড

  • ওয়েবসাইট তৈরী সম্পূর্ন ফ্রিতে [পর্ব-০১] :: ফ্রী হোস্টিং এ ওয়েবসাইট/ওয়ার্ডপ্রেস আপলোড

বর্তমানে যদি এই টিউনের ফ্রী হোস্টিং সাইট কাজ না করে এবং রেজিস্ট্রেশন করতে না পারেন। তবে আপনি ১৫নম্বর টিউটোরিয়াল অনুসরণ করুন। ধন্যবাদ... 

আসসালামু আলাইকুম।
আশা করি সবাই ভাল আছেন।আলহামদুলিল্লাহ,আপনাদের দোয়ায় আমিও ভাল আছি। আমি সব সময় চেষ্টা করি নতুন কিছু দেয়ার জন্য। আর আমার দেয়া প্রায় সকল টিউন কাজ করে।তবে যে দুই একটা টিউন কাজ করে না সেগুলো দেখে কখনোই ভাববেন না যে সেগুলো ভুয়া।আসলে সেগুলো এক সময় কাজ করতো।এখন হয়ত করে না। আমি চেষ্টা করি নতুন কিছু শেয়ার করার জন্য।
বিঃদ্রঃ সবার কাছে অনুরোধ,অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি টিউন এবং অনেক কষ্ট করে লিখা।তাই অবশ্যই লাইক,টিউমেন্ট এবং শেয়ার করুন।পারলে নির্বাচিত মনোনয়োনেও ক্লিক করুন।

টিউটোরিয়াল একটু বড় হবে।এতে আবার ভয় পাবেন না কিন্তু।আরে এটা এতই সহজ যে ক্লাস ফাইভ পাস করা রিক্সাচালকও পারবে। ভয় পেলে ঔষধ একটাই ভিডীও টিউটোরিয়াল।

তো আজ যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো তা আগেই টাইটেল এ বলা আছে। কিভাবে কোডিং জানা ছাড়াই তৈরি করবো নিজের নামে বা প্রতিষ্ঠানের নামে ওয়েবসাইট।তাও আবার ফ্রীতে। অনেকের কাছেই মনে হতে পারে এটা কি সম্ভব???
অসম্ভবের কিছুই না। অবশ্যই সম্ভব।আর এর জন্য আপনার যা করতে হবে তা হচ্চে আপনার প্রথমেই একটা যেকোনো ফ্রী হোস্টিং ওয়েবসাইটে একাউন্ট করতে হবে। আমার ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখুন সেখানে বর্তমানে কাজ করে এবং ভবিষ্যতেও করবে এমন একটি ফ্রী হোস্টিং ওয়েবসাইট থেকেই হোস্টিং নিয়ে ভিডীও টিউটোরিয়াল টি তৈরি করেছি। তাই এখনই টিউটোরিয়াল দেখে নিন।আর টিউন দেখে যদি বুঝতে পারেন তাহলে টিউটোরিয়াল দেখার দরকার নাই। তবে আমি মনে করি যারা ভয় পাচ্ছেন যে মনে হয় পারবেন না তারা ভিডিও টিউটোরিয়ালটি দেখে নিন।একেবারেই সহজ। হয়েছে অনেক ঔষধ বেচার লেকচার দিয়েছি।এবার কাজের কথায় আসি...
দারুণ একটি ফ্রী হোস্টিং ওয়েবসাইটের নাম জেনে নিন এবং একটা একাউন্ট তৈরি করুন।একাউন্ট খোলা ফেসবুক একাউন্ট খোলা থেকেও সহজ।তাই আর বললাম না। নিজেই পারবেন।না পারলে টিউটোরিয়াল।তবুও বলি sign up এ ক্লিক করার পর নিচের ছবির মত দেখতে পাবেন...
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
  • একাউন্ট তৈরির পর login এ ক্লিক করুন।
  • %e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8bএরপর আপনার ইমেইলে দেয়া username এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।লগইন করার পর নিচের ছবি অনুসরণ করুন।
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b

টিউটোরিয়াল বড় হয়ে যাচ্ছে দেখে ভয় পাচ্ছেন।আরে এটা এতই সহজ যে ক্লাস ফাইভ পাস করা রিক্সাচালকও পারবে। ভয় পেলে ঔষধ একটাই ভিডীও টিউটোরিয়াল।

  • আচ্ছা এরপর একটা সাবডোমেইন তৈরি করুন।আর আগে কেনা ডোমেইন থাকলে addon domain এ ক্লিক করে পার্ক করে নিন। না থাকলে সাবডোমেইন নিচের মত...
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
  • এরপর আবার home এ ক্লিক করুন। এবং নিচের ছবিগুলো অনুসরণ করু্ন।
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
  • এরপর choose domain এ নিচের ছবির মত কিছুক্ষণ আগে তৈরি করা সাবডোমেইন এ select করুন।directory এর সব কিছু ব্লাংক করে দিন।
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
  • উদাহারণঃ
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
  • আপনি আপনার ওয়েবসাইটে যে নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে চান তা দিন.
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
  • site language সিলেক্ট এবং limit login attempts এ টিক দিয়ে install এ ক্লিক করুন।
  • এরকম দেখাবে এবং ইনস্টল হবে.২মিনিটের মত অপেক্ষা করুন... এটা আপনার নেট স্পিডের উপর নির্ভর করবে।তবে ২জি হলে সর্বোচ্চ ৫মিনিট লাগবে।
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
  • congratulations,জানানোর পর আপনি আপনার ওয়েবসাইটে লগইন করতে পারবেন।তারা একটা নরমাল ডিজাইন দিবে।সেটাকে ডিজাইন করতে পারবেন কোডিং ছাড়াই। এছাড়া টিউন ও করতে পারবেন।আমরা এতক্ষন যে ওয়েবসাইট তৈরি করলাম তা দেখে নিন।
%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b
আপনি চাইলে আপনার ওয়েবসাইটকে আপনি টেকটিউনস এর মত ডিজাইন করতে পারবেন। আর চাইলে ট্রিকবিডি বা ট্রিকবিডি নাম্বার ওয়ান এর মতও. তো কিভাবে করবেন তা জানতে আমাদের পরবর্তী টিউটোরিয়াল এর জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে।
অনেক কষ্ট করে টিউন টা লিখলাম।তাই অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে টিউমেন্ট,লাইক,শেয়ার এবং নির্বাচিত মনোনয়োনের আশা করছি।
ধন্যবাদ সবাইকে।
আল্লাহ হাফিজ আজকের মত।দেখা হবে পরের টিউটোরিয়ালে।
প্রযুক্তির সাথে থাকুন,প্রযুক্তিকে ভালবাসুন।
ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখতে নিচে ক্লিক করুন।



source: http://www.techtunes.com.bd/wordpress/tune-id/462964

ব্লগে কাঙ্খিত ভিজিটর পেতে আপনার করনীয় কাজগুলো (মেগা টিউন)

ব্লগে কাঙ্খিত ভিজিটর পেতে আপনার করনীয় কাজগুলো (মেগা টিউন)


Image result for ব্লগে কাঙ্খিত ভিজিটর পেতে আপনার করনীয় কাজগুলো (মেগা টিউন)

















সবাইকে আমার সালাম! কিছু দিন থেকে একটু ব্যস্ত ছিলাম আমার পড়াশুনা নিয়ে , এদিকে আমার ওয়েবসাইটকে নতুন সার্ভারে ট্রান্সফার করলাম। যাই হোক এদানিং সবাই নিজের একটা ব্লগ বা ওয়েবসাইট বানাছে। কেউ শখের বসে , কেউ বা টাকা ইনকামের জন্য । কিন্তু অনেকের মধ্যে একটা ভুল ধারন আছে , তারা মনে করে ব্লগ বানালেই মনে হয় হাজার হাজার ভিজিট এসে যাবে ! কেউ কেউ নিজে নিজে লিখতেছে আবার কেউ কেউ বিভিন্ন জায়গা হতে কপি-পেস্ট করে ব্লগ ভরিয়ে দিচ্ছে , কিন্তু ব্লগ তেমন ভিজিটর পাচ্ছে না। ফলাফল কয় একদিন পর ব্লগিং থেকে বিদায় নিচ্ছে। ঝড়ে যাচ্ছে কিছু ভাল মেধা , যাদের কাছ থেকে হয়ত বা আমরা আর নতুন কিছু পেতে পারতাম। তবে আমার আজকের এই পোস্ট সেই সব ব্লগারদের জন্য যারা নিজে নিজে ব্লগ লিখতেছে কোন কপি-পেস্ট করতেছে না এবং অনেক শ্রম দিচ্ছেন।

আপনি একজন ব্লগার , একবার চিন্তা করুন আপনি যখন ব্লগ খুলেছে কখন চিন্তা করেছে আপনি কি জন্য ব্লগ খুলতেছেন? কেন ব্লগ খুলতেছেন? কোন বিষয়ের উপর ব্লগ খুলতেছেন? কি আমি জানি অনেকেই এই চিন্তা গুলো করে না । আপনি যদি টাকা ইনকামের কথা চিন্তা করে ব্লগিং করেন তাহলে ভুল করছেন, আপনাকে ব্লগিং করতে হবে নিজের ভালবাসা থেকে, কারন কোন বিষয় যদি ভালবাসা না থাকে তাহলে সেই কাজ হতে সাফল্য পাওয়া সম্ভব না। আপনি যদি একজন সফল ব্লগার হতে চান বা আপনার ব্লগকে পপুলার করতে চান তা হলে নিচের জিনিস গুলো অনুসরন করতে চেস্টা করুন।

সুন্দর একটা ব্লগের নাম নির্বাচন করুন

একটা ব্লগ বা ওয়েবসাইটের ডিজাইন ভাল হলে হয় না এর ডোমেইন নাম অনেক বড় একটা ব্যপার। আপনার প্রথমে একটা ভাল ডোমেইন নাম সংগ্রহ করতে হবে। আপনি আগে আপনার ডোমেইন নেম টা নির্বাচন করুন এরপর আপনার ডোমেইন নেম চেক করে দেখুন আছে কি না। যদি থাকে আপনি এটা ইন্টারনেট থেকে কিনতে পারবেন । অনলাইন এ ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন করার কয় একটা পপুলার সাইট হল
এগুলো থেকে ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন করতে আপনার খরজ হবে ৭-১০ ডলারের মত যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬০০-৭০০ টাকা । এবং প্রতি বছর এর রেনু ফি ৭-১০ ডলার অর্থাৎ আপনার প্রতি বছর ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৭০০ টাকা । খূব একটা বেশি না । আর আপনি অনলাইনে এই ডোমেইন নেম কিনতে আপনাকে পেপাল বা ভিসা কার্ড ,মার্স্টার কার্ড ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া এ ব্যবস্থা না থাকলে আপনি বাংলাদেশী কোম্পানি গুলো হতে আপনি বাংলাদেশী টাকায় ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন ।

এবার আমি ডোমেইন নেম নেয়ার সময় যে দিক গুলোর কথা আপনার খেয়াল রাখতে হবে তাহল
  • সবচেয়ে সহজ নামে ডোমেইন নেম নির্বাচন করুন যাতে আপনার ভিজিটরা সহজে আপনার ডোমেইন নেম টা মনে রাখতে পারে ।যেমন http://www.bdtutorial24.com
  • আপনার ডোমেইন নেম যাতে কোন বড় মানের ওয়েবসাইটের [www.google.com ,www.yahoo.com] সাথে মিলে না যায় । যেমন http://www.bdyahoo24.com , http://www.bdgoogle24.com ইত্যাদি। এতে আপনার ডোমেইন নেম সমস্যা হতে পারে এবং আপনার নামে বাতিল হতে পারে ।তাই এ বিষয় টা মনে রাখবেন ।
  • ডোমেইন নেম বড় হলে যেমন http://www.fahimrezabadhon.com এটা মনে রাখা কঠিন হতে পারে , তাই এই নামের মাঝে আপনি ডেশ [-] ব্যবহার করতে পারেন যেমন http://www.fahim-reza-badhon.com ।
  • ডোমেইন নেম বড় করা হতে বিরত থাকুন । যেমন http://www.thelongestlistofthelongeststuffatthelongestdomainnameatlonglast.com

ব্লগের জন্য ভাল একটা লোগো ডিজাইন করুন

ব্লগ সুন্দর কাজ করলেন কিন্তু একটা ভাল লোগো নাই জিনিস্ টা কেমন হল বলুন তো? লোগো আপনার সাইটের নাম এর বৈশিস্ট বহন করে! লোগো দেখে যেন বুঝা যায় এটা অমুখ ভাই/বোনের ব্লগ বা ওয়েব সাইট, তাই না। আপনি নিজে যদি লোগো ডিজাইন না জানেন কিছু পয়সা খরজ করেন না কেন? এখানে তো একবারেই ইনভেস্ট করবেন কিন্তু এর প্রফিট সারা জীবন পাবেন। তাই একটা ভাল লোগো ডিজাইন করুন এতে আপনার সাইটের কিছু টা হলেও গ্রহন যোগ্যতা বাড়বে।

নিয়মিত পোস্ট দিন

খুব ধুম ধাম ব্লগ ডিজাইন করলেন কিন্তু আপনি আপনার ব্লগে নিয়মিত না তাহলে আপনার পাঠকরা কেন নিয়মিত হবে? ব্লগ এর প্রান হচ্ছে পাঠক ও পোস্ট । আপনার ব্লগে যত মানসম্পন পোস্ট দিবে সেরকম হারে পাঠক পাবেন। আপনি ব্লগে নিয়মিত পোস্ট করে দেখুনতো পাঠক কেমন হারে বাড়তে থাকে।এভাবে দেখবেন একটা সময় আপনার ব্লগে এমন একটা পাঠকগোষ্টী সৃস্টি হয়েছে যারা নিয়মিত আপনার ব্লগ পড়তেছে এবং মন্তব্য করতেছে। তাই আপনার ব্লগে আপনি একটু নিয়মিত হবার চেস্টা করুন।

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন হল এমন একটা মাধ্যম যা আপনার সাইটে অনেক ভিজিটর এনে দিতে পারে। আপনি আপনার ব্লগের সুবিধাদি নিয়ে লিফটলেট বানাতে পারেন তা বিতরন করুন এছাড়া বিভিন্ন ব্লগ ম্যাগাজিন , পেপারে আপনার ব্লগ বা সাইটের রিভিও দিন। পাশাপাশি আপনি নিজে নিজে সবাইকে জানান, আপনি যদি ভার্সিটির স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে বন্ধুদের জানা তাদের লিঙ্ক শেয়ার করার কথা বলুন। আপনার সাইটে যদি ভাল পোস্ট পায় দেখবেন এখান থেকে কিছু নিয়মিত পাঠক পাবেন।

অন্যের ব্লগে মন্তব্য করুন এবং মন্তব্যের জবাব দিন

আপনি অন্য ব্লগে মন্তব্য করুন এবং সেখানে আপনার আইডি হিসাবে আপনার সাইটের নাম দিন। এছাড়া আপনি বিভিন্ন ফোরামের সাথে থাকুন , সেখানে যে সাক্ষর দেওয়ার স্থানে আপনি আপনার লোগো সাথে আপনার সাইটের লিঙ্ক দিন দেখবেন এখান থেকে আপনি ভাল কিছু ভিজিটর পাবে এবং এতে আপনার পেজ র‍্যাংক একটু উন্নতি হবে।

আপনার ব্লগ যখন কিছু নিয়মিত পাঠক হবে তাদের সমস্যা নিয়ে বা বিভিন্ন কারনে যখন মন্তব্য করবে খুব তারা তারি তার মন্তব্যের জবাব দেওয়ার চেস্টা করুন এতে আপনার প্রতি আপনার পাঠকদের গ্রহনযোগ্যতা বাড়বে। এবং তারা আপনাকে ভাল চোখে দেখবে এবং সাহায্যের জন্য নিয়মিত আপনার ব্লগে আসবে।

ইউনিক আর্টিকেল লিখুন

সব সময় ইউনিক পোস্ট দেওয়ার চেস্টা করবেন অর্থাৎ আপনি যে পোস্ট করবেন অন্য ব্লগ যেন এই পোস্ট না থাকে । চেস্টা করবেন সাম্প্রতিক ঘোটে যাওয়া বিষয় গুলো নিয়ে লিখতে, এতে ভাল ভিজিটর পাওয়া যায়। সময় এমন টপিক নির্বাচন করুন যা পাঠকরা চায় , পাঠকদের চাহিদার কথা জানার চেস্টা করুন এবং সেই রকমের পোস্ট দিন।

ভাল ছবি ব্যবহার করুন

আপনি যে পোস্ট গুলো করবেন তাতে প্রয়োজনীয় ছবি বা স্কিন শর্ট অবশ্যই যুক্ত করবেন, কারন এই ছবি গুলো দেখলে ভিজিটর খুব সহজে সব কিছু বুঝে এবং আপনি এই ছবি গুলো থেকে অনেক ভিজিটর পেতে পারেন। আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস ইউজার হয়ে থাকেন তবে আপনি এই ইমেজ সাইটম্যাপ প্লাগইন ব্যবহার করতে পারেন। এটি তৈরি করেছেন আমার প্রিয় একজন ব্লগার Amit Agarwal । এই প্লাগিন নিয়ে আর জানতে এই পেজ টি দেখুন।

ই-মেইলে সাক্ষর ব্যবহার করুন

আপনি আপনার ইমেইল এ সাক্ষর ব্যবহার করুন।আপনার সাক্ষর হিসাবে আপনার ব্লগের লোগো এবং তাতে আপনার লিঙ্ক দিয়ে দিন। আপনি বিভিন্ন সময় অনেকেই মেইল করে থাকেন , এতে আপনার ব্লগের লিঙ্ক বিভিন্ন যায়গায় চলে যাবে এবং এ থেকে আপনি কিছু ভিজিটর পেতে পারেন।

নিউজলেটার সিস্টেম চালু রাখুন

আপনি আপনার ব্লগে নিউজলেটার সার্ভিস চালু রাখুন। কারন সব ভিজিটরের পক্ষে প্রতিদিন আপনার ব্লগ আসা সম্ভব না , তাই তাদের সুবিধার জন্য নিউজলেটার সার্ভিস চালু রাখুন। আর আপনাদের এই সুবিধা দিচ্ছে FeedBurner ।

ব্লগ কমিউনিটির সাথে যুক্ত থাকুন

আপনি আপনার ব্লগকে ব্লগ কমিউনিটি তে সাবমিট করুন। কারন এথেকে আপনি অনেক পরিমান ভিজিটর পেতে পারেন। জনপ্রিয় কিছু ব্লগ কমিউনিটি হলঃ

আপনি ব্লগ কমিউনিটি গুলোতে নিবন্ধন করে আপনার ব্লগ লিঙ্ক সাবমিট করুন, দেখবেন এখান হতে অনেক ভাল পরিমা ভিজিটর পাবেন।

ফেসবুকে শেয়ার করার ব্যবস্থা রাখুন

এই সময় ব্লগকে পপুলার করা মাধ্যম হল ফেসবুক। আপনি এই ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার ব্লগ অনেক ভিজিটর বা পাঠক পেতে পারেন। আপনি আপনার ব্লগের নামে একটা পেজ ওপেন করুন, পেজ তি সবার সাথে শেয়ার করুন এবং আপবার আপনার ব্লগের সর্বশেষ পোস্ট আপডেট করার ব্যবস্থা রাখুন দেখবেন এখান থেকে আপনি অনেক পরিমান ভিজিটর পাচ্ছেন। এছারা আপনি আপনার ব্লগ ফেসবুক লাইক বাটন বা ফেসবুক শেয়ার বাটন ব্যবহার করুন এতে আপনার ব্লগের পাঠকরা তাদের বন্ধুদের কাছে শেয়ার করতে পারবে।

টুইটারে শেয়ার করার ব্যবস্থা রাখুন

এই সময় ব্লগকে পপুলার করা আর একটা মাধ্যম হল টুইটার । আপনি এই টুইটারের মাধ্যমে আপনার ব্লগ অনেক ভিজিটর বা পাঠক পেতে পারেন। আপনি আপনার ব্লগের নামে একটা টুইটার একাউন্ট ওপেন করুন, আপনার ব্লগের সর্বশেষ পোস্ট আপডেট করার ব্যবস্থা রাখুন দেখবেন এখান থেকে আপনি অনেক পরিমান ভিজিটর পাচ্ছেন। এছারা আপনি আপনার ব্লগ টুইটার শেয়ার বাটন ব্যবহার করুন এতে আপনার ব্লগের পাঠকরা তাদের বন্ধুদের কাছে শেয়ার করতে পারবে।

অপ্রয়োজনীয় পোস্ট করা থেকে বিরত থাকুন

অনেকে দেখায় যায় তারা যা পায় তা নিয়ে লিখে , কিন্তু আপনাকে চিন্তা করতে হবে বর্তমান পাঠকরা কি চায় ! আপনার ব্লগে সব সময় চেস্টা করবেন অপ্রয়োজনীয় পোস্ট না করা। কারন এথেকে আপনি অনেক পাঠক হারাতে পারেন। আপনি যদি সঠিক ভাবে পাঠকদের চাহিদা মিটাতে না পারেন তাহলে একসময় আপনার ব্লগ পাঠক শূন্য হয়ে যাবে। তাই অপ্রয়োজনীয় পোস্ট করা বন্ধ করে কম হলেও কাজের পোস্ট করুন।

সফল ব্লগারদের ব্লগ পড়ুন

একটা মানুষ নিজে নিজে সব কিছু শিখে না, আর যারা শিখে তারা হয় মহাজ্ঞানী। আমি যেহেতু মহাজ্ঞানী না তাই আপনি সব সময় সফল ব্লগারদের ব্লগ পড়ি। তারা কিভাবে সাফল্য পেলো তা জানার চেস্টা করি। আপনি সময় সফল ব্লগারদের ব্লগ পড়ূন। তাদের কে অনুপ্রেরনা হিসাবে কাজে লাগান। আমি সময় আমার প্রিয় ব্লগার Amit Agarwal এর ব্লগ পড়ি।

সহজ শব্দ বা বাক্য ব্যবহার করুন

শব্দ বা বাক্য একটা পোস্ট অনেক বড় জিনিস। আপনি যদি এমন শব্দ ব্যবহার করেন যা আপনার পাঠকরা বুঝতে না পারে তাহলে সেই পোস্ট করার কোন মানে হয়। কোন ভাল আর্টিকেল লেখার সময় মনে রাখবেন যত সহজ ভাষায় আপনি আপনার পাঠকে বুঝাতে পারেন। অঝথা কঠিন কোন বাক্য বা শব্দ ব্যবহার করবেন না। আশা করি এই ব্যপার টা মাথায় রাখবেন।

প্রতিযোগিতার আয়োজন করুন

ব্লগকে চাংগা রাখার জন্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করুন। সেখানে পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখুন। পাঠকদের আকৃষ্ট করার জন্য ভাল ভাল সুবিধা রাখুন। তাদের সকল বিষয় সাহায্য করুন।

অথিতি ব্লগার হিসাবে পোস্ট দিন

ভাল পাঠক পাবার আর একটা উপায় হল অন্য কোন জনপ্রিয় ব্লগে অথিতি লেখক হিসাবে লেখা। এতে সেই ব্লগ থেকে আপনি ভাল পাঠক পেতে পারেন। কারন আপনি যখন অন্য কোন ব্লগে আপনি ভাল কোন লেখা দিবেন তখন তারা আপনার আর লেখা দেখতে আপনার ব্লগ আসবে। তাই অথিতি হিসাবে ভাল মানের লেখা জমা দিন।

আমি এই পোস্ট করেছি আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে। এখানের অনেক জিনিস বা সব জিনিসেই আপনার জানা থাকতে পারে কিন্তু আপনি হয়ত কাজে লাগাছেন না। আমার মনে হয় আপনি এই জায়গায় বড় একটা ভুল করতেছেন। আমি এখানে যা বলেছি তা থেকে একটি কথায় বলতে চাই আপনি যদি ভাল মানের আর্টিকেল লিখেন , ইউনিক আর্টিকেল আর নিয়মিত হতে পারেন আপনি অবশ্যই সাফল্য পাবেন। আর ব্লগিং এ একটু ধর্য্য ধরুন দেখবেন সাফল্য আসবেই। আর সেই সাফল্যের যে কি আনন্দ বা মজা তা যারা পায় শুধু তারাই জানে। যা হোক এতখন আমার এই বিরক্তকর লেখাটা পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। ভাল থাকেব আমার জন্য দোয়া করবেন , এভাবে যে আমি আপনাদের মাঝে থাকতে পারি আর বাংলা ব্লগিং করে যেতে পারি। খোদা হাফেজ

source: http://www.techtunes.com.bd/tutorial/tune-id/60346

আপনি জানেন কি, সিপিইউ থেকে হ্যাক হতে পারে আপনার সম্পূর্ণ কম্পিউটার?




আপনি জানেন কি, সিপিইউ থেকে হ্যাক হতে পারে আপনার সম্পূর্ণ কম্পিউটার?



যদি আপনাকে বলি, আপনার কম্পিউটারের সাথে এমন একটি স্পেশাল চিপ লাগানো রয়েছে—যেটি আপনার কম্পিউটারের সকল হার্ডওয়্যারকে নিয়ন্ত্রন করার ক্ষমতা রাখে এবং রিমোট ভাবেও একে অ্যাক্সেস করা যায় এবং এটিকে ডিসেবল করার কোন উপায় নেই। কি শুনতে অদ্ভুত লাগছে? অদ্ভুত হলেও ব্যাপারটি সম্পূর্ণ সত্য এবং ভয়াবহও বটে। আজকের আর্টিকেলে এমন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো, যা হয়তো আপনি আগে কখনোই শোনেন নি।

প্রসেসর রিস্ক?


আজকের বেশিরভাগ কম্পিউটার গুলোর প্রাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয় ইনটেল এবং এএমডির প্রসেসর গুলো। আপনি যদি ইনটেল প্রসেসরের কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকেন তবে নিশ্চয় ইনটেল ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিন নামটি শুনেছেন বা ড্রাইভার ইন্সটল করার সময় দেখেছেন। আবার আপনি এএমডি ইউজার হলে প্লাটফর্ম সিকিউরিটি প্রসেসর নামটি শুনে থাকবেন। কিন্তু আপনি জানেন কি গত দশ বছর ধরে যতোগুলো কম্পিউটার তৈরি হয়েছে এদের মধ্যে ইনটেল এবং এএমডির প্রসেসর দিয়ে চলা কম্পিউটারে এই দুই ধরনের চিপ লাগানো রয়েছে—আর এই চিপ গুলো সকল কম্পিউটারের ব্যাকডোর হিসেবে কাজ করে। যদিও ইনটেল এবং এমডি এটা প্রতিজ্ঞা করে, এই ব্যাকডোর শুধু তারা তাদের বৈধ কাজে ব্যবহার করে, তারপরেও কিছু কারণ রয়েছে যার জন্য আপনার দুশ্চিন্তা করা জায়েজ রয়েছে।

ইনটেল ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিন

তো ইনটেল ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিন মূলত কি জিনিস? এটি মূলত একটি ভিন্ন এবং সহযোগী প্রসেসর চিপ বলতে পারেন, যেটি ফিজিক্যালি প্রত্যেকটি ইনটেল চিপসেটের সাথে চিপকানো থাকে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ইনটেল ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিন আপনার মূল কম্পিউটারের মধ্যের আরেকটি কম্পিউটার বলতে পারেন। কিন্তু সবচাইতে ভয়াবহ ব্যাপার হলো, প্রায় আমরা কেউই জানিনা এটি কি কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত ইনটেলের মালিকানাধীন কোডের উপর কাজ করে এবং ইনটেল এর সোর্স কোড কখনোই রিলিজ করে না। তবে অবশ্যই এতে বৈধ ফিচার রয়েছে যেগুলো ইনটেল তাদের সেবার মানকে উন্নয়ন করার জন্য ব্যবহার করে। চলুন নিচের লিস্ট থেকে জেনে নেওয়া যাক এই হার্ডওয়্যার কি কাজ গুলো করতে পারে;
  • এটি সরাসরি আপনার র‍্যামের উপর নিয়ন্ত্রন গ্রহন এবং র‍্যাম ব্যবহার করতে পারে, এবং র‍্যাম ব্যবহার করার জন্য মেইন সিপিইউ এর মোটেও সহযোগিতা গ্রহন করে না
  • এটি আপনার কম্পিউটারের সাথে কানেক্টেড থাকা সকল যন্ত্রানুষঙ্গ এর উপর নিয়ন্ত্রন নিতে পারে; মাউস, কীবোর্ড, হার্ডড্রাইভ, এক্সটার্নাল ড্রাইভ, ওয়েবক্যাম ইত্যাদি সবকিছু অপারেট করতে পারে
  • এটি আপনার কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসের সাথে কানেক্টেড হয়ে সহজেই যেকোনো নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক সেন্ড বা রিসিভ করার ক্ষমতা রাখে, তাছাড়া এটি ইন্টারনেট ফায়ারওয়ালকে আরামে বাইপাস করতেও সক্ষম
  • তাছাড়া এটি কম্পিউটারের সম্পূর্ণ অপারেটিং সিস্টেমকে বাইপাস করার ক্ষমতা রাখে, এমনকি কম্পিউটারে কোন অপারেটিং সিস্টেম না থাকলেও এটি কম্পিউটারকে অপারেট করার ক্ষমতা রাখে
  • এই প্রসেসর চিপের এতো ক্ষমতা থাকার পরেও এটি রিমোট ভাবে আপনার কম্পিউটার অন বা অফ করার ক্ষমতা রাখে, অর্থাৎ আপনার কম্পিউটার অফ থাকা অবস্থায়ও এটি অনেক কিছু করতে পারে
এই চিপের ফিচার গুলো দেখে নিশ্চয় ভাবছেন, “আরে, ফাজলামু নাকি? এই চিপ এতো কিছু অ্যাক্সেস করেই বা কীসের জন্য আর এই চিপ কোম্পানি বানিয়েছেই বা কেন? আবার তার উপরে এই ফিচার গুলোকে আমি ডিসেবলও করতে পারবো না!” এই চিপটিকে আপনার কম্পিউটারের সাথে চিপকিয়ে দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে রিমোট ভাবে আপনার কম্পিউটারটি আপডেট বা রিপেয়ার করে দেওয়ার জন্য। আপনি ভালো করেই জানেন, ইনটেলের মতো দৈত্যাকার কোম্পানির কাছে কতোগুলো গ্রাহক থাকে, এখন এই কোটি গ্রাহকের সাপোর্ট সেবা দেওয়ার জন্য ইনটেল তো নিশ্চয় সবার বাড়ি বাড়ি যাবে না, তাই না? তাই এরা এরকম সিস্টেম আগে থেকেই সেটআপ করে রাখে যাতে একসাথে বাল্কভাবে সকল সিস্টেম গুলোতে আপডেট এবং রিপেয়ার করে দিতে পারে।
এখন হয়তো বলবেন, “ঠিক আছে, ভালো ফিচার এবং অনেক ইউজার এ থেকে উপকৃতও হবে, কিন্তু এটা আমার পার্সোনাল কম্পিউটার আর আমার এই জিনিষের দরকার নেই, তাই ইনটেল এখন আমাকে বলো কীভাবে আমি এটাকে ডিসেবল করবো?” আর এখানেই আপনার জন্য দুঃসংবাদ, আপনি ইনটেল ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিন চিপের কার্যক্রমকে ডিসেবল করতে পারবেন না এবং এমন কোন ইনটেল প্রসেসর বাজারে কিনতেও পাবেন না, যেখানে আগে থেকে এই চিপ লাগানো নেই। এমনকি আপনি যদি ইনটেল বাদ দিয়ে এএমডি প্রসেসর ব্যবহার করার চিন্তা করেন তারপরেও এটিকে স্কীপ করতে পারবেন না। কেনোনা আগেই উল্লেখ্য করেছি, এএমডি প্রসেসরেও তাদের এই ধরনের চিপ লাগানো রয়েছে, যার নাম প্লাটফর্ম সিকিউরিটি প্রসেসর বা পিএসপি। আর ইনটেল ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিনের মতো এটিও আপনার কম্পিউটারের সকল কিছু ম্যানেজ করার ক্ষমতা রাখে এবং আমাদের কোন ধারণায় নেই এটি কোন কোডের উপর কাজ করে।

সেলফোনে?

“তো ঠিক আছে ভাই, বুঝলাম! আমার কম্পিউটারে এক সিক্রেট ব্যাকডোর রয়েছে আর আমি সেটাকে ডিসেবলও করতে পারবো না, কিন্তু আমার সেলফোনতো এই ব্যাপার থেকে নিরাপদ তাই না? কেনোনা সেলফোনে তো ইনটেল বা এএমডির প্রসেসর লাগানো থাকে না! তো এই দিক থেকে অন্তত নিরাপদ, নাকি?” জী না, ভুল কথা! আপনি কখনোও কি বেসব্যান্ড প্রসেসরের সম্পর্কে শুনেছেন? অবশ্যই শোনেন নি, কিন্তু প্রত্যেকটি সেলফোনে এই প্রসেসর লাগানো থাকে, এটি মূলত ফোনের এন্টেনা থেকে রেডিও সিগন্যাল এবং ডিজিটাল সিগন্যালকে কনভার্ট করে। তো অবশ্যই আপনার ফোনটি প্রোপারভাবে কাজ করার জন্য এই চিপ থাকার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে এবং অবশ্যই হ্যাঁ, এই চিপ আপনার ফোনের সকল ডাটার উপর নিয়ন্ত্রন রাখার লো লেভেল অ্যাক্সেস রয়েছে। আরেকটি কথা জেনে রাখা ভালো, ইনটেলের ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিন এবং এএমডির প্লাটফর্ম সিকিউরিটি প্রসেসরের মতো বেসব্যান্ড প্রসেসরের কোডিও মালিকানাধীন। অর্থাৎ যে প্রস্তুতকারী কোম্পানি আপনার ফোনটি বানিয়েছে তার নিজের কোড দ্বারা এই প্রসেসরকে লাগিয়ে থাকে, যেটা এমনিতে কেউ অ্যাক্সেস করতে পারবে না, কিন্তু প্রসেসরটি নিজে সবকিছু অ্যাক্সেস করার ক্ষমতা রাখে।

পয়েন্ট?

“সবই বুঝলাম ভাই, ব্যাট এতক্ষণের আলোচনার পয়েন্ট কি? ইনটেল আর এএমডি তো আমাদের পিসি হ্যাক করবে না, তাই না? আবার কোডটিতে নিশ্চয় বিশাল এনক্রিপশন লাগানো রয়েছে, তাহলে এই আলোচনার ফলাফল কি?” —হ্যাঁ ভাই, অবশ্যই ইনটেল বা এএমডি এই সিক্রেট ব্যাকডোর ব্যবহার করে আপনার কম্পিউটারের উপর নজর রাখা বা একে হ্যাক করবে না। কিন্তু এখানে শুধু ইনটেল বা এএমডি একাই ভয়ের কারণ নয়। এখানে ভয়ের ব্যাপার হলো এই চিপ যদি কোন হ্যাকার গ্রুপ ক্র্যা**ক করে ফেলে অথবা কোন গভর্নমেন্ট যদি এর অ্যাক্সেস নেওয়ার চেষ্টা করে তবে সেটা নিঃসন্দেহে ভয়াবহ হতে পারে। হ্যাঁ, এই চিপে অনেক হার্ডকোর এনক্রিপশন লাগানো রয়েছে, কিন্তু আমি আগেই বলেছি কোন এনক্রিপশনই আপনাকে ১০০% নিরাপত্তা দিতে পারবে না। ক্র্যা**ক করতে অনেক কঠিন বা কষ্ট সাধ্য হলেও এমনটা কিন্তু নয় যে, সেটা ক্র্যা**ক করায় যাবে না।
হতে পারে কোন হ্যাকার এই চিপের অত্যন্ত চালাকির সাথে কোন দুর্বলতা খুঁজে বেড় করে ফেলবে, আর এটি যদি সম্ভব হয় তবে সে এই পৃথিবীর প্রায় যেকোনো কম্পিউটারের উপর নিজের নিয়ন্ত্রন নিয়ে ফেলতে পারবে যেগুলো ইনটেল বা এএমডির প্রসেসরে রান করে। আর যেহেতু এই চিপ কম্পিউটারের মেইন প্রসেসরকে বাইপাস করে কাজ করে, তাই আপনার পিসিকে হ্যাক অ্যাটাক থেকে বাঁচানো প্রায় অসম্ভব নয় বরং সম্পূর্ণ অসম্ভব। যেহেতু এই চিপ সরাসরি পিসির নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসের সাথে কানেক্টেড হয়ে কাজ করতে পারে এবং ট্র্যাফিক রিসিভ এবং সেন্ড করতে পারে তাই হ্যাকার সহজেই আপনার কম্পিউটারে যেকোনো ম্যালওয়্যার ইনজেক্ট করিয়ে দিতে পারে। ম্যালওয়্যারটিকে যদি অপারেটিং সিস্টেম ফায়ারওয়াল ব্লক করে দেয় তবে এই চিপ সেই ব্লককে সহজেই বাইপাস করে নিতে পারে।
যদিও এই চিপ এবং এই চিপের কোড ক্র্যা**ক হওয়া প্রচণ্ড কঠিন ব্যাপার তার পরেও অসম্ভব কিছু নয়। আমরা ১% হলেও এমন অজানা কোন হ্যাক অ্যাটাকের সম্ভবনায় রয়েছি। এখানে আরেকটি কথা চিন্তা করার মতো, দেখুন এই চিপের কোড কিন্তু মালিকানাধীন, যদি ওপেন সোর্স কোড হতো হবে সবাই এর কোড পড়তে পারতো এবং যদি এতে কোন ত্রুটি থাকে তবে হয়তো কোন ভালো আইটি স্পেশালিষ্ট কোম্পানিকে জানিয়ে দিতে পারতো, সেই ত্রুটিকে কোন ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকার ডিটেক্ট করার পূর্বে। কিন্তু যেহেতু এটির কোড কেউ জানেনা এবং এটি একটি ক্লোজড কোড তাই ভালো মানুষ এর ত্রুটি খোঁজার আগে খারাপ ব্যক্তিই আগে ত্রুটি খোঁজার চেষ্টা করবে, আর কোন ক্রমে সে সফল হয়ে গেলে নিশ্চয় সে আর সেটা কোম্পানিকে শেয়ার করবে না।

শেষ কথা

হ্যাক হওয়ার সম্ভবনা যতোই অল্প হোক না কেন, তবে এই ধরনের হ্যাক অ্যাটাক যে ঘটতে পারে এই ব্যাপারে আন্দাজ করা যায়। যদি প্রসেসর থেকে হ্যাক অ্যাটাক হয়েই যায়, সেক্ষেত্রে আমরা কি করতে পারবো? কিছুই না! একেবারেই কিছু করতে পারবো না। এটা একদমই ব্যাপার না আপনি কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করছেন কিংবা কতো শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করছেন। আসলে অনেক সময় অনেক স্ট্রং পাসওয়ার্ডও আপনাকে নিরাপত্তা দিতে পারে না। ধরুন আপনি ৫০ অক্ষরের পাসওয়ার্ড সেট করে রেখেছেন, কিন্তু কেউ আপনার মাথায় বন্দুক ধরে পাসওয়ার্ড জিজ্ঞাসা করলে নিমিষেই বকে দেবেন!


Source: http://www.techtunes.com.bd/featured/tune-id/486902

August 7, 2016

ফেসবুক ব্যবহার করে সহজে বিশাল এমাউন্টের ইনকাম করার কিছু কৌশল





ফেসবুক ব্যবহার করে সহজে বিশাল এমাউন্টের ইনকাম করার কিছু কৌশল



আমরা সবাই ফেসবুক ব্যবহারটা জানি। এখানের আর কিছু বিষয় জেনে নিলে ফেসবুক থেকে মাসে ভাল একটা ইনকাম করা সম্ভব। মাসে ১০,০০০টাকা – ১লাখ টাকা ইনকাম সম্ভব।ফেসবুকের ইনকাম বলতে ফেক লাইক বৃদ্ধি করে ইনকাম কিংবা লিংক শেয়ার করে ইনকাম, এ ধরনের বাজে কাজের ইনকাম নিয়ে এ টিউনে আলোচনা করিনাই। ফেসবুকে ইনকাম কিভাবে করবেন এবং কি কি যোগ্যতা লাগবে সব একসাথে এ টিউনে পাবেন।


আগে জেনে নেই, ফেসবুক ব্যবহার জেনেই কিভাবে ইনকাম করতে পারবেন?

১) এফ কমার্স: ফেসবুকে পেজ খুলেই বাংলাদেশে ইকমার্স ব্যবসা করা যায়। যেটা ইদানীং সবাই ফেসবুকে দেখছেন। যারা এভাবে কাজ করছেন, যারা এভাবে কাজ করছেন, তাদের মাসিক আয় হচ্ছে ১০,০০০টাকা – ৩০,০০০টাকা। কারও কারও ভাল ইনভেস্ট থাকার কারনে আরও বেশিও ইনকাম হচ্ছে। সেটা ১লাখ-২লাখও হতে পারে।
প্রোডাক্ট: শাড়ি, মেয়েদের ড্রেস, গিফট আইটেম ইত্যাদি
চ্যালেঞ্জ: ছোট ইনভেস্ট, প্রোডাক্ট সিলেক্ট, প্রোডাক্ট ডেলিভারি, মার্কেটিং
২) টি-শার্ট অ্যাফিলিয়েশন: বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয় ইনকাম সোর্স হচ্ছে টিসপ্রিং, যেটা হচ্ছে টি-শার্ট অ্যাফিলিয়েশন। এ অ্যাফিলিয়েশনের জন্য শুধুমাত্র ফেসবুককেই ব্যবহার করা হয়। এভাবে মাসে ১০,০০০টাকা- ১লাখ টাকা ইনকাম করা সম্ভব।
প্রোডাক্ট: টি-শার্ট, মগ, হুডি ইত্যাদি
চ্যালেঞ্জ: নিশ সিলেক্ট, অডিয়েন্স টার্গেট, মার্কেটিং
৩) হোস্টিং অ্যাফিলিয়েশন: হোস্টিং অ্যাফিলিয়েশনের জন্য শুধুমাত্র ফেসবুক মার্কেটিং করে ইনকাম করা যায়। ইনকাম কয়টা সেল করেছেন, সেই অনুযায়ি বাড়তে থাকে। ইনকাম মাসে ৫০০০টাকা – ৮০,০০০টাকা হতে পারে। তবে হোস্টিং অ্যাফিলিয়েশনকে ক্যারিয়ার হিসেবে নেওয়া সম্ভব না। কারণ নিয়মিত ইনকাম সম্ভব হবেনা।
প্রোডাক্ট: বিভিন্ন কোম্পানীর হোস্টিং
চ্যালেঞ্জ: কনটেন্ট ডেভেলপ, সম্ভাব্য কাস্টমার খুজে বের করা, মার্কেটিং
৪) লোকাল ব্যবসা: লোকাল যেকোন ব্যবসার প্রোফিট বৃদ্ধির জন্য এখন ফেসবুক মার্কেটিংকে সবাই ব্যবহার করছে। রেস্টুরেন্ট ব্যবসা, ফ্যাশন হাউজ থেকে শুরু করে আরও অন্যান্য ব্যবসাতেও ফেসবুকে মার্কেটিং  করেই ইনকাম বৃদ্ধি করতে হয়।
প্রোডাক্ট: সার্ভিস, ট্রেনিং, প্রোডাক্ট ইত্যাদি
চ্যালেঞ্জ: ইনভেস্ট, প্রোডাক্ট বাছাই, দক্ষ ব্যক্তি, মার্কেটিং
৫) লোকাল চাকুরি: যে কোন ব্যবসাতে যেহেতু ফেসবুক মার্কেটিং এখন বড় একটি ফ্যাক্ট। সুতরাং প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে এ কাজটি করার জন্য ফেসবুক মার্কেটিংয়ের এক্সপার্ট লোকদের চাকুরির সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমি এখন পযন্ত এ সেক্টরে এক্সপার্ট যে কয়জনকে চাকুরির ব্যবস্থা করে দিয়েছি, তাদের বেতন ১২,০০০টাকা -৪০,০০০টাকা পযন্ত ছিল।
প্রোডাক্ট: সার্ভিস, ট্রেনিং, প্রোডাক্ট ইত্যাদি
চ্যালেঞ্জ: রিয়েল কাজের অভিজ্ঞতা, ব্যবসাতে প্রফিট বৃদ্ধি করা
৬) সাইটে ট্রাফিক আর সেখান হতে অ্যাডসেন্স: একটা সাইটে যত বেশি ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারবেন, তত সাইটের অ্যাডভার্টাইজ হতে ইনকাম বৃদ্ধি পাবে। ইনকাম ৫০০০ টাকা – ১লাখ হতে পারে।
প্রোডাক্ট: একটা ব্লগ সাইট
চ্যালেঞ্জ: নিশ সিলেকশ, সাইট প্রস্তুত, কনটেন্ট ডেভেলপ, মার্কেটিং
৭) নিজের দক্ষতাকে ব্রান্ডিং: আপনি যদি নিজেকে দক্ষ মনে করেন, কিন্তু কোথাও তারপরও চাকুরি হচ্ছেনা, তাহলে সেক্ষেত্রে বলব, আপনি আপনার দক্ষতাকে ফেসবুকের মাধ্যমে প্রমোশন চালান। তাহলে ফেসবুকের মাধ্যমেই অনেকে দক্ষতার ব্যপারে জানতে পারলে আপনার কাজের অভাব হবেনা। কাজ আপনাকে খুজে বের করবে। তখন কাজ করে শেষ করতে পারবেননা।
প্রোডাক্ট: নিজের দক্ষতা
চ্যালেঞ্জ: কনটেন্ট ডেভেলপ, দক্ষতা সম্পর্কিত গ্রুপগুলোতে অ্যাক্টিভ থাকা, মার্কেটিং
৮) ফাইভারের গিগ সেল বৃদ্ধি: ফাইভারে গিগের যত বেশি প্রমোশন চালাবেন, ততই গিগ সেল বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু ফেসবুক প্রমোশন চালাতেও সঠিক জ্ঞান থাকতে হবে। সঠিক জ্ঞান ছাড়া গিগ প্রমোশন চালালে ফাইভারে ইনকাম বাড়বে, উল্টো ফাইভার অ্যাকাউন্টটাই নষ্ট হয়ে যাবে।
প্রোডাক্ট: ফাইভার গিগ
চ্যালেঞ্জ: অডিয়েন্স টার্গেট করতে পারা, কনটেন্ট ডেভেলপ করতে পারা, মার্কেটিং
৯) মার্কেটপ্লেসে কাজ: ফেসবুক যেহেতু মার্কেটিংয়ের অনেক বড় প্লাটফর্ম, সেহেতু মার্কেটপ্লেসে এখন প্রচুর কাজ পাওয়া যাচ্ছে এ সম্পর্কিত। মাসে ৫০০০-৫০,০০০টাকা ইনকাম করতে পারেন।
প্রোডাক্ট: বায়ার রিকোয়েরমেন্ট অনুযায়ি সার্ভিস
চ্যালেঞ্জ: কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতার প্রমান, বায়ার কনভেন্স করতে পারা।
ফেসবুকের মাধ্যমে ইনকাম করবেন বলেছি, কিন্তু ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিতে পারেন মানে আপনি ফেসবুক মার্কেটার হয়ে গেছেন মনে করার দরকার নাই।
ফেসবুক আয় (3)

নিচের দক্ষতাগুলো ফেসবুক মার্কেটিংয়ের দক্ষতা না:

১) ফেসবুকে স্ট্যাটাসে কিছু লিখতে পারা
২) অন্যের টিউনে টিউমেন্ট করতে পারা
৩) ভাল লেখালেখি করতে পারা
৪) অন্য গ্রুপে টিউমেন্ট করতে পারা
৫) ফেকলাইক বৃদ্ধি করতে পারা
৬) অন্যের গ্রুপে কিংবা অন্যের টিউনে গিয়ে লিংক শেয়ার করা

ফেসবুক মার্কেটার হিসেবে যে যে দক্ষতা থাকতে হবে:

১) লিড সংগ্রহ: ফেসবুকে লাইক বৃদ্ধি করে ব্যবসার জন্য লাভ নাই। লিড বৃদ্ধি করতে হবে। ওজন কমানোর কোন ঔষধ বিক্রি করার জন্য পেজ খুলছেন। সে পেজে ১০,০০০ লাইক রয়েছে, যার মধ্যে ৯,৯৯৯ হচ্ছে চিকন মানুষের লাইক। তাহলে তাদের কাছে জীবনে ঔষধ বিক্রি করা যাবেনা। যারা মোটা এবং মোটা নিয়ে চিন্তিত তাদেরকেই আপনার পেজে নিয়ে আনা উচিত। এদেরকেই পেজে নিয়ে আনাকে লিড সংগ্রহ বলে।
২) লিড পরিচযা: পেজে যখন লিড তৈরি হলো তাদের জন্য সচেতনতামূলক টিউন দিয়ে দিয়ে মোটা থেকে চিকন হওয়ার গুরুত্বমূলক, আতংক তৈরি মূলক টিউন তৈরি করতে হবে। এগুলো দেখে সেই পেজের মানুষজনের মধ্যে চিকন হওয়ার প্রোডাক্ট কিনার আগ্রহ তৈরি হবে। একেই বলে লিড নার্সিং বা লিড পরিচযা।
৩) সেলস ফানেল: আমরা মার্কেটিং করার সময় সবসময় প্রোডাক্টি কেনা সম্পর্কিত টিউনটাই দিয়ে থাকি। প্রোডাক্টের মূল্য, প্রোডাক্ট কেন ভাল এ টাইপ টিউনপ্রতিনিয়ত দিয়ে থাকি। এটা করলে একটা পযায়ে সেল বন্ধ হয়ে যায় কিংবা সেল ভাল পাওয়া যায়না। কিন্তু দেখা যায় পরিশ্রম প্রচুর করা হচ্ছে। এটাকে সহজ একটা ব্যাখ্যা দিয়ে সেমিনারটিতে বুঝানোর চেষ্টা করেছি।
বাসা বাড়িতে পানির ট্যাংকি থাকে। ঘরের ভিতরে কল ছেড়ে রেখে দিয়েছেন। পানি পড়তে পড়তে একসময় ট্যাংকি খালি হয়ে যাবে। যেরকম কল ছেড়েছেন, সেরকম মোটর চালিয়ে নিয়মিত ট্যাংকিতেও পানি ভরতে হবে। মোটর চালিয়ে পানি উঠাবেন, এটাকে লিড সংগ্রহ বলে। ট্যাংকিতে পানি ভরেছে, সেটাকে লিড পরিচযা বলে। পরে কল ছেড়েছেন, সেটা হচ্ছে সেল শুরু হয়েছে।
৪) কনটেন্ট ডেভেলপ: কনটেন্ট বলতে আর্টিকেল, কোন লিখার লিংক, গ্রাফিক, ভিডিও সবকিছুকে কনটেন্ট বলে। কনটেন্ট ডেভেলপের ক্ষেত্রে প্রোডাক্ট সেল করা বিষয়টি মাথাতে রেখেই পরিকল্পনা করতে হবে। লিড সংগ্রহ, লিড নার্সিং, সেলস ফানেল তৈরির চিন্তা করে কনটেন্ট ডেভেলপ করতে হবে।
৫) সম্ভাব্য কাস্টমারের আচরণ বুঝা: সম্ভাব্য কাস্টমারের বয়স, সেক্স, তাদের কেনার ক্ষমতা, কেনার অভ্যাস, তাদের আচরণ বুঝতে হবে, সেই অনুযায়ি কনটেন্ট ডেভেলপ করতে হবে। সম্ভাব্য কাস্টমারদের ডাটা কালেক্ট করা এবং তাদের আচরণটা অ্যানালাইস করা জানতে হবে।
৬) নিউজ ফিড অ্যালগরিদম: ফেসবুকে কার ওয়্যালে কোন টিউন দেখাবে এটা একটা অ্যালগারিদম মেইনটেইন করে চলে, যেটাকে EDGE Rank বলে। আর এ অ্যালগারিদমের কারনেই আপনারে ফ্রেন্ড লিস্টের সবার টিউন আপনি দেখেননা, আপনার টিউনও সবাই দেখেনা। এটা না বুঝে মার্কেটিং করেন দেখেই কোন উপকার পাচ্ছেন না। আপনি ১০০গ্রুপে হয়ত মার্কেটিং করতেছেন, কিন্তু আসলে আপনার টিউনকে ফেসবুক কারও ওয়্যালে শো করতেছেনা শুধুমাত্র এ অ্যালগরিদমটার কারনে।
৭) সঠিক অডিয়েন্স টার্গেট করা: সঠিক অডিয়েন্স খুজে বের করে শুধুমাত্র তাদের কাছেই মার্কেটিং করেন। এ সঠিক অডিয়েন্স কারা সেটা বুঝার জন্য অনেক টুলস রয়েছে যার ব্যবহার না জেনে অন্ধের মত মার্কেটিং করলে সময়টাই নষ্ট হবে। ইনকাম আর হবেনা।
ফেসবুক আয় (2)

৮) পেইড অ্যাডভার্টাইজিং: ফেসবুকে পেইড অ্যাডভার্টাইজিং চমৎকার একটা মার্কেটিং সলিউশন। কিন্তু দু:খের বিষয়, আমাদের দেশে মনে করে ১ডলার খরচ করে কত বেশি মানুষের কাছে যেতে পারলাম, তত বড় আমি মার্কেটার হয়ে গেছি। আসলে কত বেশি মানুষ টিউনটা দেখলো, সেটাতে আপনার স্বার্থকতা না, কতজন আপনার প্রোডাক্টটি কিনলো, সেটাতে মার্কেটিংয়ে সফলতা। সেজন্য সঠিক পেইড মার্কেটিং শিখতে হবে।
৯) রিমার্কেটিং টেকনিক: ফেসবুক পেইড মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে কোন প্রোমোশন যদি একই ব্যক্তির কাছে বার বার নিয়ে আসতে পারেন, তাহলে প্রোডাক্টটি ব্রান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে। এজন্য অডিয়েন্স ধরে রাখা, তাদের কাছে বার বার মার্কেটিং করে মেসেজ পৌছে দেওয়াটাই হচ্ছে রিমার্কেটিং।
১০) ইনফ্লুয়েন্সার হওয়া: কোন বিষয়ে নিজেকে এক্সপার্ট হিসেবে অনলাইনে মানুষের ধারণা প্রতিষ্ঠা করতে পারাকে ইনফ্লুয়েন্সার বলে। ইনফ্লুয়েন্সার হলে মার্কেটিং করার কষ্ট কমে যায়। অল্প কষ্টে বেশি লাভ করা যায়। এ ইনফ্লুয়েন্সার হওয়ার টেকনিক জানা থাকতে হবে।
১১) মাসিক মার্কেটিং রিপোর্ট পযবেক্ষণ: প্রতিটা মার্কেটিংয়ের প্রতিটা ফলাফল দেখার ব্যবস্থা রয়েছে ফেসবুকের কিছু টুলসে। সেগুলো  অ্যানালাইস করতে না জেনে মার্কেটিং করলে কোন লাভ নাই। সেগুলো না জেনেই মার্কেটিং করলে অন্ধের মত সমুদ্রে হাতরানো হবে।
১২) রিপোর্ট অনুযায়ি মার্কেটিং প্লান তৈরি: মাসিক রিপোর্ট অনুযায়ি পরবর্তী মাসের মার্কেটিং প্লানটা সাজাতে হয়। কোন ধরনের কনটেন্ট মানুষকে আকর্ষণ করতেছে, কোন সময়ে মানুষজন অনলাইনে বেশি থাকে সেগুলো জেনে মার্কেটিং করলে পরিশ্রম অনেক কমে যাবে, ইনকামটাও বাড়বে।
১৩) কম্পিটিটরদের অ্যানালাইস করা: আপনার যারা কম্পিটিটর তাদের অ্যানালাইস না করে মার্কেটিংয়ে নামলে মার্কেটিং করেতো কোন লাভ হবেনা। হতাশাটাই শুধু পাবেন। কম্পিটিটরদের থেকে আইডিয়া নিয়ে তারপর আপনার মার্কেটিং প্লান তৈরি করুন।
ফেসবুকে কোন টিউনগুলো দিলে মানুষের অ্যানগেজমেন্ট বাড়ে, কিভাবে মার্কেটিং করলে আপনার টিউন বেশি মানুষ দেখবে, কোনভাবে মার্কেটিং করলে আপনি প্রোডাক্ট সেল করতে পারবেন সেসব বিষয়েও ভালভাবে দক্ষতাটা অর্জন করার জন্য ২মাস নিজেকে সময় দিন।

source: http://www.techtunes.com.bd/outsourcing/tune-id/438024

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হতে পারে আপনার জীবনের সেরা সিদ্ধান্ত (পর্ব – ০২): প্রজেক্ট শুরু করার আগে যে বিষয়গুলো আপনাকে মাথায় রাখতে হবে



অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হতে পারে আপনার জীবনের সেরা সিদ্ধান্ত (পর্ব – ০২): প্রজেক্ট শুরু করার আগে যে বিষয়গুলো আপনাকে মাথায় রাখতে হবে





অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
আপনি যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য মনস্থির করে করে থাকেন তাহলে আমি বলব জীবনের সেরা পদক্ষেপটি আপনি নিয়েছেন।

কেন সেরা পদক্ষেপ?

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে লাইফ টাইম প্যাসিভ ইনকাম সম্ভব। এটা প্রমাণিত। বাংলাদেশের বাইরের সফল মার্কেটারদের কথা নাই বললাম। বাংলাদেশেই রয়েছে এর অসংখ্য প্রমাণ। আল-আমিন কবির, রিফাত ভাইদের কথা বাদ দিলাম। তাদের অগনিত স্টুডেন্ট আছে যারা আজ সফল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার। বর্তমান আন্তর্জাতিক অঙ্গনের নামী নামী অনেক কোম্পনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর দিকে ঝুকছে। কারণ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর ভবিষ্যত অত্যন্ত উজ্জ্বল। যাই হোক, এসব নিয়ে অন্য কোন দিন লিখব। আজ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করব।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার আগে যে বিষয়গুলো আপনাকে মাথায় রাখতে হবে...

১. ইনভেস্টমেন্টঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হলে আপনাকে অবশ্যই ইনভেস্ট করতে হবে। ফ্রীতে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করা সম্ভব না। ফ্রী কিছু করতে হলে ফ্রীলান্সিং করুন। তবে ফ্রীলান্সিং এ সফল হতে হলে আপনাকে কোন না কোনভাবে ইনভেস্ট করতে হবে। হয়ত ভাল কোন প্রতিষ্ঠানে আপনাকে কোর্স করতে হবে। অথবা এর পেছনে দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে হবে।
investment
Investment
২. মৌলিক কাজে দক্ষ হওয়াঃ  আপনি যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মৌলিক কাজ সমূহ যেমনঃ অনলাইন মার্কেটিং (SEO, SMM, Email Marketing), বেসিক ওয়েব ডিজাইনিং এবং ইংরেজীতে এক্সপার্ট না হন তাহলে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং একা একা শুরু করবেন না। অন্তত একজন এক্সপার্ট কারোর সহযোগিতা নিন। নাহলে পরে হতাশ হয়ে বলবেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ কিছু করা সম্ভব না।
Basic Knowledge
Basic Knowledge
৩. শুরুতেই মূল প্রজেক্ট শুরু না করাঃ প্রথমে বাস্তব প্রজেক্ট শুরু করবেন না। আগে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ভালভাবে বুঝুন এবং শিখুন। মিনিমাম ৩ মাস শিখার পেছনে ব্যয় করুন এবং একটা ডেমো প্রজেক্ট দিয়ে শুরু করুন। ডেমো প্রজেক্টে সফল হতে হবে এমন কথা নেই। ডেমো প্রজেক্ট করবেন শুধুমাত্র শিখার জন্য। এটাতে কোন ইনভেস্টও করবেন না। একটা ফ্রী ডোমেইন ও হোস্টিং দিয়ে শুরু করতে পারেন। ডেমো প্রজেক্ট করতে গিয়ে আপনি অনেক ভুল করবেন, অনেক বাধার সম্মুখীন হবেন। পরবর্তীতে মূল প্রজেক্ট শুরু করার সময় সেই ভুল এবং বাঁধাগুলো এরিয়ে যেতে পারবেন। আর ডেমো প্রজেক্টে যদি সফলতা লাভ করতে পারেন তাহলে তো কথাই নেই। আপনি এটাকেই পরে আরো আপডেট করে আপনার আয় বৃদ্ধি করতে পারবেন। এই ডেমো প্রজেক্টের ধারনাটা আমার নিজস্ব মতামত। অন্য কারো মতামতের সাথে মিল নাও থাকতে পারে।
Demo project
Demo project
৪. ইনভেস্ট খাত সমূহ মাথায় রাখাঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মূল প্রজেক্ট শুরুর আগে আপনাকে যে সব খাতে আপনাকে ইনভেস্ট করতে হবে সে সব খাত সমূহ মাথায় রাখতে হবে এবং সেভাবেই প্রস্তুতি নিতে হবে। আপনাকে একটা নিশ প্রজেক্টের জন্য সর্বনিম্ন ৬০০০০ (ষাট হাজার) থেকে ১,০০,০০০ (এক লক্ষ)এর অধিক টাকা ইনভেস্ট করতে হতে পারে। আপনার কাজ জানা থাকলে আপনি কিছু কাজ নিজে করতে পারবেন আর কাজ না জানা না থাকলে কাউকে হায়ার করতে হবে। আগামী পর্বে ইনভেস্টের খাত সমূহ নিয়ে বিস্তারিত লিখব।
Invest Area
Invest Area

৫. শর্টকাট রাস্তা থেকে দূরে থাকাঃ সফলতার কোন শর্টকাট রাস্তা নেই। যদি মনে করুন চুরিবিদ্যা প্রয়োগ করে বা ব্লাক হ্যাট এসইও করে বা স্পামিং করে ভিজিটর বাড়াবেন তবে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারলেন। যারা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে নেমে শর্টকাট রাস্তা খুঁজে তারা কোনদিন সফল হতে পারবে না। একশত ভাগ গ্যারান্টি সহকারে ভবিষ্যদ্বানী করে দিলাম।
Shortcut way
Shortcut way is dangerous
৬. হাল ছেড়ে না দেওয়াঃ এমন অনেককেই দেখেছি ফ্রিলান্সিং এ কাজ করতে নেমে দ্রুত ইনকামের ধান্দায় নেমে পরে। এতে করে কিছুতেই সফল হতে পারে না। এক সময় হাল ছেড়ে দেয়। শুধু ফ্রিলান্সিং না জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফল হতে হলে আপনাকে লেগে থাকতে হবে এবং কাজের প্রতি আন্তরিক হতে হবে। টমাস আলভা এডিসন যিনি বৈদ্যুতিক বাল্ব আবিষ্কার করে পৃথিবীকে আলোকময় করে গেছেন তিনি ৯৯৯ বার ব্যর্থ হয়েছেন এবং ১০০০ তম বারে সফল হয়েছেন। জীবনে ভাল কিছু করতে হলে আপনাকে ধৈর্য্য ধরে পরিশ্রম করে এগিয়ে যেতে হবে। সফল হতে হলে আপনাকে অনেক ধাপ অতিক্রম করতে হবে এবং অনেক বাঁধা উপক্ষা করে এগিয়ে যেতে হবে।

Success
আজ আর বেশি কিছু বলব না। নিজের ভেতর একটা আত্মবিশ্বাস তৈরী করুন। কাউকে অনুসরণ না করে নিজের মত করে চলতে থাকুন। আর এমন একটা সিদ্ধান্ত নিন যা হবে আপনার জীবনের সেরা সিদ্ধান্ত।

source: http://www.techtunes.com.bd/outsourcing/tune-id/438025