January 5, 2016

২০১৫ সালে যে পাঁচটি এসএইও ট্রেন্ডকে বিবেচনায় রাখা উচিত


2015

২০১৫ সালে যে পাঁচটি এসএইও ট্রেন্ডকে বিবেচনায় রাখা উচিত  

আশা করি আপনারা “সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের যুগ শেষ” এবং “সোশ্যাল মিডিয়াই হলো নতুন সার্চ” এই দু’টি সর্বশেষ অত্যুক্তিতে বিশ্বাস করেননা। বাস্তবতা হলো, এসইও কতগুলো বহুল পরীক্ষিত এসইও কৌশল, কন্টেন্ট মার্কেটিং এবং সোশ্যাল মিডিয়া অপটিমাইজেশনের মধ্যকার সংযুক্তিতে বিবর্তিত হচ্ছে। এটি আরও বেশী জটিল হয়েছে কিন্তু এর মূল্য সামান্য পরিমাণেও কমেনি। এই ধারণাটি মাথায় রেখে ২০১৫ সালের পাঁচটি এসইও ট্রেন্ড সম্পর্কে আলোচনা করা হলো, যেগুলো আপনি এবছর পরিকল্পনা করবেন।

১) সিম্যান্টিক সার্চ

গুগল সম্প্রতি সার্চ এলগরিদমের “Hummingbird” আপডেট প্রকাশ করেছে। পূর্বের পান্ডা ও পেঙ্গুইন আপডেটের মতো না হয়ে হামিংবার্ড আপডেটটি ছিল সম্পূর্নরূপে সিম্যান্টিক সার্চ নির্ভর। যেখানে সিম্যান্টিক হলো ভাষাতত্ত্বের একটি বিভাগ যা শব্দের অর্থঘটিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। সিম্যান্টিক সার্চ সার্চ কোয়ারির (আপনি সার্চ বারে যা লিখে সার্চ করেন) অর্থ এবং যে ব্যক্তি সার্চ করছেন তার মনোভাব বুঝার চেষ্টা করে। সার্চ ইঞ্জিন ল্যান্ডের ডেনি সুলিভান বিষয়টিকে এভাবে ব্যাখ্যা করেছেনঃ
“হামিংবার্ড কোয়ারির প্রত্যকটি শব্দের দিকে আরও বেশি মনোযোগ দেয় যাতে পুরো কোয়ারিটিকে নিশ্চিত করা যায়– নির্দিষ্ট কতগুলো শব্দ নয় বরং পুরো বাক্য বা আলোচনা বা অর্থকে বিবেচনায় নেয়া হয়। লক্ষ্য হলো, পেজের অর্থের সাথে সার্চের অর্থ মেলানো; এখানে অল্প কিছু কিওয়ার্ড কে আর ধর্তব্যে নেয়া হয়না।”
তাই এক্ষেত্রে সংলাপমূলক কোয়ারি, লং টেইল কিওয়ার্ড এবং লেটেন্ট সিম্যান্টিক মার্কআপ যেমন কিওয়ার্ড বা শব্দের বহুবচন এবং সমার্থক শব্দগুলোর দিকে মনযোগ দিতে হবে। এইচটিএমএল মার্কআপের সময় লক্ষ্য রাখতে হবে তা যেন যতটা সম্ভব সিম্যান্টিক হয়। নতুন যে সিম্যান্টিক ট্যাগগুলো স্কিমা ডট অর্গ থেকে এসেছে তা ওয়েবপেজ তৈরির সময় ব্যবহার করতে হবে। এবং কিওয়ার্ড রিসার্চ এর ক্রমাগত গুরুত্ব বৃদ্ধিকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।

২) মোবাইল সার্চ অপটিমাইজেশন

গুগলের তথ্য অনুযায়ী মোবাইল সার্চের ৫০ভাগ কোয়ারিই হয়েছে অঞ্চলগত দিক লক্ষ্য করে। এর মানে হল সার্চকারি ব্যক্তিরা স্থানীয় ব্যবসাগুলোকে খুঁজেছেন যেন তারা ইন-স্টোর কেনাকাটা করতে পারেন। তারপরও সব মোবাইল সার্চ অঞ্চলবিশেষ লক্ষ্য করে করা হয়নি।
তাই এক্ষেত্রে মোবাইল সার্চের ব্যবহার বৃদ্ধি, মোবাইল-ওনলি ইউজারদের উত্থান এবং গুগলের নতুন ”মোবাইল ফ্রেন্ডলি” লেবেলগুলো কিভাবে সার্চ রেজাল্টকে প্রভাবিত করছে সে সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখতে হবে। বলাবাহুল্য, সাম্প্রতিক সময়ে স্মার্টফোনের ব্যবহারের বৃদ্ধিকে ভোক্তা সংগ্রহের একটি প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে ধরে নিতে হবে।

৩) সোশ্যাল সিগনেলগুলোর অকার্যকারিতা

সোশ্যাল সিগনেল যেমন টুইট, শেয়ার ও গুগলপ্লাস সার্চ রেঙ্কিংকে প্রভাবিত করে? তা করে, কিন্তু আপনি যেভাবে ভাবেন তেমন নয়।
সব সময়ই বলা হয়েছে যে টপ সার্চ রেঙ্কিংয়ে উপরের যাওয়ার উপায় হলো সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার। এটি সেই ২০১০ সালের কথা যখন গুগলের ওয়েব-স্পাম বিষয়ক প্রধান বলেছিলেন, আমরা আমাদের সার্চ রেঙ্কিং এ টুইটার ও ফেসবুকের লিংক ও রেঙ্কিংকে ব্যবহার করি। কিন্তু ২০১৪ সালে যখন তাকে একই প্রশ্ন করা হয় তখন বলেছিলেন, বর্তমানে আমাদের সার্চ এলগরিদমে তেমন কোন সিগন্যাল নেই।”
তারপরও কিছু সার্চ অপটিমাইজাররা প্রমাণ করে দেখিয়েছেন যে সোশ্যাল শেয়ার সার্চে সত্যিকার অর্থেই প্রভাব রাখে। তাই সোশ্যাল মিডিয়া সিগন্যাল একেবারেই অপ্রয়োজনীয় তেমন বলা যাবেনা তবে তা আরও বৃহৎ পরিসরে মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি নিয়ে অপটিমাইজ করতে হবে। আপনার এবং অন্যদের শেয়ার করা কন্টেন্ট ব্যাকলিংক তৈরি করে, আরও ট্রাফিককে আপনার সাইটের দিকে ধাবিত করে যা আপনার ব্র্যান্ড সংশ্লিষ্ট কোয়ারিকে বাড়িয়ে দেয়।

৪) আর্নড লিংকের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব বৃদ্ধি

একটি সফল এসইও স্ট্র্যাটেজি নির্ভর করে গুণগত ও পরিমাণগত ব্যাকলিংকের উপর। এক্ষেত্রে আপনার নিজের তৈরি লিংক যেমন আপনার ওয়েব পেজ ও সোশ্যাল মিডিয়া পেজ, পেইড লিংক যেমন গুগল অ্যাডওয়ার্ড বিজ্ঞাপন, টুইটার প্রমোট অথবা অন্যান্য সংস্থার বিজ্ঞাপনী সেবার লিংকের চেয়ে অর্জিত লিংক যেগুলো অন্যান্যরা স্বেচ্ছায় আপনার পণ্য সম্পর্কে আলোচনা ও শেয়ারের মাধ্যমে তৈরি করেছে সেগুলোর গুরুত্ব সার্চ রেঙ্কিংএ অনেক অনেক বেশি। সবসময় লো-কোয়ালিটি লিংক তৈরি থেকে বিরত থাকা উচিত যা আপনার সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে পেনালাইজড করতে পারে।
সুতরাং বুঝা যাচ্ছে যে উচ্চমানসম্পন্ন কন্টেন্ট তৈরিই এসইওর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ! তাছাড়া সামজিক কার্যকলাপের মাধ্যমে অফলাইন সম্পর্ক বৃদ্ধি এবং ব্রোকেন লিংক বিল্ডিংকেও মাথায় রাখতে হবে।

৫) ব্র্যান্ড সম্পর্কে উল্লেখ এবং সাইটেশন

একটি সাইটেশন হলো আপনার ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য কোন ওয়েব সাইটে আপনার ব্র্যান্ডের নাম, ঠিকান, ফোন নাম্বার সম্পর্কে যেকোন উদ্দৃতি। একটি কো-সাইটেশন হলো আপনার ব্যবসায়ের মতো একই রকম অন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাইটে আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কিত উল্যেখ। এক্ষেত্রে লোকাল সাইটেশন, ইন্ডাস্ট্রি সাইটেশন ও নিচ্‌(Niche) সাইটেশন সম্পর্কে জানতে হবে।

সাইট স্ট্রাকচার সম্পর্কে বোনাস টিপ

আপনার সাইটটি ভিজিটরদের কাছে যত বেশী আকর্শনীয় হবে ততো বেশি তা সার্চ ইঞ্জিনের কাছে গ্রহনযোগ্য হবে। তাই সাইটকে যতটা সম্ভব সহজবোধ্য করুন। বাউন্স রেটকে কমানো এবং সাইটে ভিজিটরদের অতিবাহিত সময় বাড়ানোকে গুরুত্ব দিয়ে সাইট ডিজাইন করুন। একটি ত্রুটিমুক্ত এক্সএমএল সাইট ম্যাপ সাবমিট করুন। সাইটের ইউজেবিলিটি বৃদ্ধি করুন।
পরিশেষে, সন্দেহ নেই এসইও বিবর্তিত হয়েছে মানুষ ও সার্চ ইঞ্জিন উভয়ের রুচির দিকে লক্ষ্য রেখে। সিম্যান্টিক সার্চ, মোবাইল ওয়েব এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রাসঙ্গিকতার উত্থান আপনার কন্টেন্টকে মানুষের কাছে পৌছে দিচ্ছে; কিন্তু তা আগের চেয়ে আরও বেশি জটিলতা ও নতুন নতুন সমস্যাকে অন্তর্ভূক্ত করেছে। তবে অনেক পরিবর্তনের মধ্যেও কিছু জিনিস একই রকম রয়ে গেছেঃ প্রাসঙ্গিক উচ্চমানের কন্টেন্ট এবং এর ভালো উপসস্থাপন আপনার জন্য কাজে লাগবে। এবং লিংক অ্যাসিস্ট্যান্ট এর এসইও পাওয়ার স্যুইট এসইও টুল আপনার সিদ্ধান্ত গ্রহনে ও আপনার সাইটকে প্রমোট করতে ভূমিকা রাখবে। তাই আজই এসইও পাওয়ার স্যুইটকে ট্রাই করে দেখুন।

source: http://bangla.salearningschool.com/

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি? What is SEO?


FEB22015

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি? What is SEO?


সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (Search Engine Optimization) এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে যে কেউ সার্চ ইঞ্জিন ব্যাবহার করে একটি ওয়েব সাইটকে বিনামূল্যে সকলের কাছে পৌছে দিতে পারে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (Search Engine Optimization) – কে সংক্ষেপে SEO এসইও বলে। ইন্টারনেটের ব্যবহার যত বাড়ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (Search Engine Optimization) বা এসইও এর জনপ্রিয়তা তত বাড়ছে। অনেকে একে ফ্রিল্যান্সিং কাজ হিসেবে ব্যবহার করছেন। এছাড়া যারা ব্লগ পরিচালনা করছেন তাদের ব্লগের পরিচিতি বাড়ানোর প্রয়োজন তো আছেই। ইন্টারনেটে ব্যবসা বাণিজ্য করে টিকে থাকার জন্য এসইও (SEO) এর গুরুত্ব অপরিসীম।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য গুলোর মধ্যে রয়েছে-
  • একটি সাইটকে সকলের কাছে সহজে পৌছে দেওয়া।
  • ওয়েব সাইটের জন্য প্রিয়তা বৃদ্ধি করা।
  • সাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিক বৃদ্ধি করা।
  • বিভিন্ন ধরনের অনলাইন থেকে আয় করার পণটাটফরম হিসেবে কাজ করে।
  • তথ্য বিনিময় ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার শক্ত ভিত হিসেবে কাজ করে।

সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে

সার্চ ইঞ্জিনগুলো তৈরি হয়েছে, মানুষের তথ্য খুজে পাওয়ার জন্য। সেজন্য কোন কিছু সার্চ দিলে যাতে সবচাইতে সেরা তথ্য খুজে পাওয়া যায় সেজন্য সার্চইঞ্জিন সাইটগুলো কিছু পোগ্রাম তৈরি করে রাখে। যেটি সকল সাইটগুলোর মধ্যে কিছু বিষয় তুলনা করে সেরা সাইটগুলোকে সার্চের সামনে নিয়ে আসে। সেরা সাইট নির্বাচন করার জন্য তারা দেখে ওয়েবসাইটটির মানসম্মত কিনা, ওয়েবসাইটের তথ্য সকলের জন্য প্রয়োজনীয় কিনা, ওয়েভসাইটটি কেমন জনপ্রিয়। এগুলোসহ আরও কিছু বিষয় নিয়ে ফলাফল প্রদর্শন করে।

ক্রলিং

ওয়েব ক্রলিং এর মাধ্যমে। গুগলবট যখন একটি পেজ সংগ্রহ করে তখন এই পেজে পাওয়া লিংকগুলো তার ক্রলিং তালিকায় যোগ হয়। এই পদ্ধতিতে একটি লিংক অসংখ্যবার আসে। কিন্তু গুগলবট সেগুলো বাদ দিয়ে একটি তালিকা তৈরী করে যাতে সবচেয়ে কম সময়ে পুরো ওয়েবকে কভার করা সম্ভব। এ ব্যবস্থাকে বলে ডিপ ক্রলিং। কোন পেজ কত দ্রুত পরিবর্তন হয় সটা ঠিক করা গুগলবট এর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
গুগল ডাটাবেজকে আপডেট রাখার ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে জরুরী। গুগলবট কোন পেজে পরিবর্তনের একটা ফ্রেকোয়েন্সী বের করে এবং সেই হিসেবে ঠিক করা হয় যে গুগলবট কত সময় পর পর কোন পেজ ক্রলিং করবে। কারণ যেই পেজ মাসে একবার পরিবর্তন হয় সেটা কয়েকঘন্টা পরপর ক্রলিং করা সময় নষ্ট ছাড়া কিছুই না। ডাটাবেজ আপডেট করার এই ক্রলিংকে ফ্রেশ ক্রলিং বলে।

ইন্ডেক্স

গুগল ইন্ডেক্স – এর কাজ তুলনামূলক সহজ। গুগলবট ইনডেক্সারকে ক্রলিং করা পেজগুলোর ফুল টেক্সট দেয়। ইনডেক্সার সার্চ টার্মগুলোকে বর্ণমালা অনুসারে সাজায়। এবং কোন টার্ম কোথায় আছে তা সেভ করে রাখে। কিছু পরিবর্তন ও আনা হয় পেজগুলোতে। কিছু বিরাম চিহ্ন বাদ দেওয়া হয়। একের অধিক স্পেস থাকলে সেগুলোও বাদ দেওয়া হয়। ইংরেজির ক্ষেত্রে বড় হাতের অক্ষরগুলোকে বাদ দিয়ে ছোট হাতের অক্ষরে পরিবর্তন করা হয়।

গুগল কুয়েরী প্রসেসর

এটি সর্বশেষ অংশ। এটাই আমাদের সার্চ রেজাল্ট প্রসেসিং করে। কুয়েরী প্রসেসর কয়েকটি অংশে বিভক্ত। ইউজার ইন্টারফেস, কুয়েরী ইঞ্জিন, রেজাল্ট ফরমেটর ইত্যাদি। গুগলের ওয়েবপেজ র‍্যাংকিং সিস্টেমের নাম পেজর‍্যাংক। যে পেজের পেজর‍্যাংক যত বেশী সেটা সার্চ রেজাল্ট এ তত উপরে থাকে। গুগলবট যেহেতু টেক্সটের সাথে পেজ কোড ও ক্রলিং করে তাই ইউজার চাইলে সার্চ টার্মটির অবস্থানও নির্দিষ্ট করে দিতে পারে যে সেটা লিংকে থাকবে,টাইটেলে থাকবে না টেক্সটে থাকবে। শুধু টার্মের উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে রেজাল্ট না দেওয়ার কারণেই গুগলের সার্চ রেজাল্টের মান এত উন্নত।

বিখ্যাত কয়েকটি সার্চ ইঞ্জিনের নাম হলো

গুগল (google), ইয়াহু (yahoo),বিং( bing) ইত্যাদি । এই সব সাইটে আপনি একটি শব্দ সার্চ বক্সে লিখে সার্চ বাটনে ক্লিক করলে , কয়েক সেকেন্ড এর মধ্য অনেক ওয়েবসাইটের লিংক চলে আসে, যেসব লিংকে গেলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যায় ।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ওয়েব ডেভলপারদের জন্য একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কোয়ালিটি ট্রাফিক সার্চ ইঞ্জিন থেকে ব্লগে আসে ফলে ব্লগ বিজ্ঞাপন ফ্রেন্ডলি হয়ে উঠে ফলে পাঠক সন্তুষ্ট হয় এবং ব্লগার বিজ্ঞাপন থেকে উপকৃত হয়। প্রক্রিয়াটি শুধুমাত্র এইটুকুর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর থেকে আরো অনেক সুবিধা পাওয়া যায়।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন মুলত দুই ধাপের মাধ্যমে হয়ে থাকে-
  1. অন পেজ অপটিমাইজেশন
  2. অফ পেজ অপটিমাইজেশন

১) অন পেজ অপটিমাইজেশন

ব্লগ বা ওয়েব পেজের মধ্যে আমরা যে সকল অপটিমাইজেশন করে থাকি তাকেই অন-পেজ অপটিমাইজেশন বলা হয়। অন পেজ অপটিমাইজেশনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল সঠিক কিওয়ার্ড খোঁজা এবং এর ব্যাবহার, মেটা ট্যাগের ব্যবহার, টাইটেলে ট্যাগের ব্যবহার, বর্ণনা ট্যাগের ব্যবহার, কী ওয়ার্ড সমৃদ্ধ কনটেন্ট বনানো এবং এক্সএমএল সাইটম্যাপ যুক্ত করণ ইত্যাদি।

২) অফ পেজ অপটিমাইজেশন

অফ পেইজ অপটিমাইজেন একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং স্থায়ী সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেন যার মাধ্যমে প্রতিযোগিতামুলক রেঙ্কিং এ একটি সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম সারিতে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। সাধারনত উন্নত ব্যাকলিংক, আর্টিকেল মার্কেটিং, ফোরাম পোস্টিং, ইত্যাদির মাধ্যমে অফ পেইজ অপটিমাইজেশন করা হয়। অফ পেইজ অপটিমাইজেশন শুধুমাত্র একটি পাতায় নয় এর সঠিক ব্যাবহার আপনার পুরো ব্লগের উপরে পরবে অর্থাৎ এর ফলে আপনার ব্যাকলিংক বৃদ্ধি পাবে এবং পেজ রেঙ্ক বেড়ে যাবে।
তাই চেষ্টা করা উচিত সাইট এর কন্টেনটগুলো যেন অন্যান্য সাইট থেকে একটু আলাদা হয়। এর পরে আপনি আপনার কন্টেনট অনুযায়ী কিছু জনপ্রিয় কী- ওর্য়াড আপনার কন্টেনট পেইজ এ যোগ করে দিন।
এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন বলতে আমরা সোজা কথায় বুঝি সার্চ ইঞ্জিনের সাথে ওয়েবসাইটের ভাল সম্পর্ক তৈরি করা। সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন ছাড়া একটা ওয়েবসাইট কখনোই পূর্ণতা পায় না কারন কোটি কোটি সাইটের অবস্থান প্রথম সারিতে তৈরি করতে হলে এর বিকল্প নেই।

source: http://bangla.salearningschool.com/seo-what-is-seo/

October 31, 2015

ফেইসবুক স্ট্যাটাসে ট্যাগ করুন আপনার ফ্রেন্ডকে

ফেইসবুক স্ট্যাটাসে ট্যাগ করুন আপনার ফ্রেন্ডকে

ফেইসবুকে স্ট্যাটাসে ট্যাগিং সিস্টেম চালু হয়েছে। কাজ করছে এটা। আমি এইমাত্র ইউজ করলাম। ট্রাই করে দ্যাখেন।
কাউকে ট্যাগ করতে স্ট্যাটাসে @ লিখামাত্রই নিচের ছবির মত আসবে

এবার যাকে স্ট্যাটাসে ট্যাগ করতে চান তার নামের প্রথম অক্ষর টাইপ করুন।


ট্যাগ করার পর স্ট্যাটাস থেকে @ উঠে যাবে অটোমেটিক্যালি এবং ফ্রেন্ডের নাম হাইপারলিঙ্কড হয়ে যাবে।

স্ট্যাটাসটি আপডেট করার পর নিচের মত দেখাবেঃ



Source:  http://technohelpbd.blogspot.com/2009/09/blog-post_8606.html

ফেসবুকের ভিডিও ডাউনলোড করুন ফায়ারফক্সের মাধ্যমে

ফেসবুকের ভিডিও ডাউনলোড করুন ফায়ারফক্সের মাধ্যমে

জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইট ফেসবুকে সাধারণত ভিডিও ডাউনলোড করা যায় না। কিন্তু ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীরা সহজেই একটি এ্যাড-অন্স ইনস্টল করে অনায়াসে যেকোন ভিডিও ডাউনলোডের পাশাপাশি কনভার্ট, এ্যামবেট এবং কোড কাস্টমাইজ করতে পারবে। এজন্যhttps://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/9614 থেকে এ্যাড-অন্সটি ইনস্টল করেফায়ারফক্স রিস্টার্ট করতে হবে। তাহলে ফেসবুকের ভিডিওর নিচে Download Video | Convert Video | Embed this Video | Customize Code আসবে। ভিডিও ডাউনলোড করলে MP4 ফরম্যাটে সেভ হবে। আর কনভার্ট করলে www.zamzar.com সাইটের মাধ্যমে অনলাইন কনভার্ট হবে।


Source: http://technohelpbd.blogspot.com/2009/09/blog-post_362.html

October 30, 2015

যেভাবে চিরদিনের জন্য বন্ধ করবেন আপনার ফেসবুক একাউন্ট

যেভাবে চিরদিনের জন্য বন্ধ করবেন আপনার ফেসবুক একাউন্ট



ফেসবুক এখন পৃথিবীর টক অফ দা টাইম, কারনে অকারনে মানুষ এখন সারাদিন ফেসবুকের সাথে থাকতে ভালবাসে । এই ফেসবুকই আবার হয়ে উঠে বিড়ম্বনর কারন । যদি আপনার তেমনি হয়ে থাকে তাহলে জেনে নিন কিভাবে বন্ধ করবেন আপনার ফেসবুক একাউন্ট ।Deactivate করুন Facebook একাউন্টএকাউন্ট বন্ধ করার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আগে Deactivate করে নিন আপনার Facebook একাউন্টটি ।




১. প্রথমে ফেসবুকে লগইন করে Settings > Account Settings > Deactivate Account তে যান । অথবা এই লিংকে যান ।


২. এবার আপনাকে একটি ফরম দ্বারা জিজ্ঞাস করা হবে কেন আপনি একাউন্ট ডিএ্যাকটিভেট করতে চান । ফরমটি পূরন করে Deactivate My account চাপুন ।

এবার আপনার একাউন্টটি Deactivate হয়ে যাবে । তবে এরপরও হয়ত আপনি ট্যাগ , ইনভাইটেশন ইত্যাদি পেতে থাকবেন । এগুলো থেকে মুক্ত হতে একেবারে ডিলেট করে দিন আপনার এ্যাকাউন্টটি ।Delete করুন Facebook একাউন্টএবার ফেসবুকে লগইন করা অবস্থায় এই লিংকটিতে যান । এবং এবার একটি নোটিশ পাবেন যে , আপনার এ্যাকাউন্টটি ডিলেট করে দিলে আপনার ছবি , মেসেজ সহ সকল ডাটা মুছে যাবে যা আপনি আর কখনওই ফিরৎ পাবেননা । রাজি থাকলে Submit বাটানটি চেপে চিরদিনের জন্য ডিলেট করে দিন আপনার ফেসবুক একাউন্ট ।সতর্কতা: আপনার এ্যাকাউন্টটি ডিএ্যাকটিভেট বা ডিলেট করে দিলে আপনার ছবি , মেসেজ সহ সকল ডাটা মুছে যাবে যা আপনি আর কখনওই ফিরৎ পাবেননা । তাই এগুলো ফলো করার আগে নিজে নিশ্চিত হয়ে নিন যে ভবিষ্যতে এগুলোর দরকর হবে না ।

Source: http://technohelpbd.blogspot.com/2010/01/blog-post_2595.html

facebook এর security check থেকে নিন চিরমুক্তি

facebook এর security check থেকে নিন চিরমুক্তি





Internet ব্যবহার করেন অথচ facebook ব্যবহার করেন না এরকম মানুষ শতকরা হিসেবে খুব কম এবং দিনদিন আরো কমছে। facebook ব্যবহারকারীদের মধ্যে নতুন কারো সাথে বন্ধুত্ব করতে চাইলে আপনাকে friend request পাঠাতে হয়। আপনি যদি একজন মেয়ে অথবা কোনো তারকা হন তাহলে বেশিরভাগ সময় কাজটি থেকে আপনি বেচে যান। আর যদি ছেলে হন তাহলে বেশিরভাগ সময় কাজটি আপনাকেই করতে হয়। অর্থাৎ আপনাকেই friend request পাঠাতে হয়। একজন তারকা, মেয়ে, কিংবা ছেলে যা ই হন না কেন friend request পাঠাতে গেলে প্রতিবারই Security Check নামক একটি পরীক্ষায় আপনাকে পাশ করতে হয়। এটি কত বিরক্তিকর সেটি ভাল করেই আপনার জানা। আমার আজকের টিপস্ মাত্র ৪টি ধাপে ব্যাপারটি থেকে মুক্তি দিচ্ছে আপনাকে।

১। Security Check এর জন্য অস্পষ্ট letter বিশিষ্ট যে box টি থাকে তার ঠিক নীচে Verify your account এ click করুন।
২। 'Country Code' এ "Bangladesh (+880)" select করুন।
৩। 'Phone Number' box এ আপনার Mobile number টি প্রবেশ করান। Confirm এ click করুন (কিছুক্ষনের মধ্যে আপনার Mobile এ একটি কোড চলে যাবে)।
৪। একটি নতুন page আসলো, সেখানে একটি কোড চাচ্ছে। এখানে আপনার Mobile এ facebook থেকে যে confirmation code টি গেল সেটি প্রবেশ করান। Confirm এ click করুন।
এখন থেকে আপনাকে Security Check নামক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে না।

ফেইসবুকের ফ্রেন্ডলিস্ট লুকানোর সহজ পদ্ধতি

ফেইসবুকের ফ্রেন্ডলিস্ট লুকানোর সহজ পদ্ধতি

http://btrandolph.com/wp-content/uploads/2009/12/fb-friend-list-privacy.jpg


আমরা অনেকে ই চাই আমাদের ফ্রেন্ডলিস্ট লুকানো থাকুক সবার কাছ থেকে। তাই আজ আমরা ফেইসবুক এর ফ্রেন্ডলিস্ট লুকানোর সহজ পদ্ধতি শিখব। প্রথমে ফেইসবুক এ প্রবেশ করুন। তারপর প্রোফাইল -এ ক্লিক করুন। তারপর ফ্রেন্ডলিস্ট এর পাশে পেন্সিল -এর আইকন এর উপর ক্লিক করুন এবং Show Friend List to everyone এর পাশের টিক মার্ক তুলে আনচেক করুন। ব্যাস, হয়ে গেল আপনার ফ্রেন্ডলিস্ট লুকানো।

Source: http://technohelpbd.blogspot.com/2010/04/blog-post_3440.html