January 5, 2016

এসইও – ওয়েব সাইট ডোমেন । SEO – Web Site Domain

এসইও – ওয়েব সাইট ডোমেন । SEO – Web Site Domain



আমরা যদি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনকে ১০০% ধরি এবং একে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করি তাহলে দেখা যাবে যে এর মধ্যে প্রায় ২০% ই হলো ডোমেন নেইম এর তথ্য। তাহলে চিন্তা করুন ডোমেনের নামকরণ বা এর সঠিক তথ্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই এসইও করার সময় প্রথমেই আপনাকে নজর দিতে হবে আপনার ডোমেইনের নামের দিকে। লক্ষ্য রাখতে হবে আপনি যে বিষয় নিয়ে এসইও করতে যাচ্ছেন সে বিষয় এর সাথে আপনার ডোমেইন নামের মিল থাকে।

যখনই আপনি ইন্টারনেট এর মাধ্যমে একটি ব্যবসা শুরু করার চিন্তা করছেন, আমার মনে হয় যে আপনি প্রথমে আপনার ওয়েবসাইট ডোমেইন নাম নিয়ে ভাববেন। একটি ডোমেন নাম চয়েজ করার আগে আপনার নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করা উচিতঃ
  1. আপনার লক্ষ্য পাঠকবর্গ কারা হবে?
  2. আপনি তাদের কাছে কি বিক্রি করতে মনস্থ করেছেন। এটা কি একটা বাস্তব আইটেমট বা শুধু টেক্সট কন্টেন্ট ?
  3. কি আপনার ব্যবসায়িক ধারণাকে ইউনিক করে তুলবে অথবা বাজারে ইতিমধ্যে available যা অন্য সব কিছুর থেকে আলাদা হবে ?
অনেকে ডোমেইন এর মধ্যে কীওয়ার্ড থাকাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। ডোমেইন নামে কীওয়ার্ড বা মূলশব্দ সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু এটা সাধারণত ডোমেইন নাম, সংক্ষিপ্ত স্মরণীয় (সহজে মনে থাকে) এবং হাইফেনবিহীন হলে সম্ভব হতে পারে।
আপনার ডোমেইন নাম এর মধ্যে কীওয়ার্ড ব্যবহার আপনার প্রতিযোগীদের থেকে আপনাকে একটি শক্তিশালী প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা দেয়। আপনার ডোমেইন নাম এর মধ্যে কীওয়ার্ড থাকলে সার্চ ইঞ্জিন লিস্টে ক্লিক-মাধ্যম- হার বৃদ্ধি করতে পারে এবং শব্দ সমৃদ্ধ বর্ণনামূলক আগমনকারী লিঙ্ক পেতে কীওয়ার্ডের ব্যবহার যা বিজ্ঞাপন দেওয়াকে সহজ করে তুলে।

দীর্ঘ এবং বিভ্রান্তিকর ডোমেইন নাম কেনা থেকে এড়িয়ে চলুন। অনেক মানুষ ড্যাশ বা হাইফেন ব্যবহার করে তাদের ডোমেইন নামের মধ্যে শব্দ আলাদা করে থাকে। আগে ডোমেইন নাম নিজেই একটি গুরুত্বপূর্ণ র‍্যাংকিং ফ্যাক্টর ছিল কিন্তু এখন সার্চ ইঞ্জিনের উন্নত বৈশিষ্ট্য আছে এবং এটি আর এখন খুব গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর নেই। আপনার ডোমেন নাম এর মধ্যে দুই থেকে তিন শব্দ রাখুন মনে রাখা সহজ হবে। কিছু সর্বাদিক লক্ষণীয় (notable) ওয়েবসাইট তাদের নিজস্ব শব্দ তৈরি করে ব্র্যান্ডিং এর কাজ করে। যেমন কয়েকটি উদাহরণ ইবে, ইয়াহু!, এক্সপিডিয়া, স্ল্যাশডট, Fark , উইকিপিডিয়া, গুগল ইত্যাদি।

আপনাকে একবার টেলিফোনে এটা বলতে সক্ষম হওয়া উচিত এবং অন্যান্য ব্যক্তি এটির বানান কিভাবে জানতে পারে এবং আপনি কি বিক্রি করছেন তারা যেন সেটা অনুমান করতে পারে।
গুরু মন্ত্র
অবশেষে, আপনাকে নিম্নলিখিত প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম হতে হবেঃ
  1. কেন আপনি আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান?
  2. কেন মানুষ আপনার সাইটে থেকে কিনবে এবং অন্যান্য সাইট থেকে কেন নয়?
  3. কি অন্যদের থেকে আপনার সাইটকে আলাদা করে তোলবে ?
  4. কে আপনার লক্ষ্য পাঠক এবং আপনি কি বিক্রি করতে মনস্থ করেছেন?
  5. আপনি কি মনে করেন যে তালিকা 5 থেকে 10 ওয়েবসাইটগুলো আশ্চর্যজনক এখন চিন্তা করুন কেন তারা আশ্চর্যজনক?
  6. 5টি বিভিন্ন ডোমেইন নাম তৈরি করুন। তাদের মধ্যে অন্তত 1টা মজার করুন। অর্ধ ডজন মানুষকে বলুন এবং কোনটি সবচেয়ে বেশী স্মরণ থাকে। সেই মানুষগুলো যদি আপনাকে ভাল না জানে তাহলে আপনি আরো সৎ প্রতিক্রিয়া পাবেন।
  7. আপনার ডোমেন কিনুন যা catchy, স্মরণীয় এবং আপনার ব্যবসা প্রাসঙ্গিক ।

source: http://bangla.salearningschool.com/seo-web-site-domain/

এসইও এর জন্য কনটেন্টই সেরা । SEO – Content is the King


2015

এসইও এর জন্য কনটেন্টই সেরা । SEO – Content is the King


কনটেন্টই মূলত এই সাইটে আপনি কি কি দেখাতে চান। যেমন টেক্সট, গ্রাফিক্স, এমনকি অন্যান্য ওয়েবসাইটের লিঙ্ক। আপনার সাইডে অত্যধিক গ্রাফিক্স ব্যবহার করা উচিত নয় কারণ এতে করে আপনার ওয়েব সাইড লোড হতে সময় নিবে।
আপনার ওয়েবসাইডকে সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি কিভাবে করবেন তার জন্য হাজার হাজার লেখা, বই এবং ফোরাম সাইড পাবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আপনাকে একটি নিয়ম অব্যশই মানতে হবে যে, স্বতন্ত্র, উচ্চ মানের কনটেন্ট।

স্বতন্ত্র, উচ্চ মানের কনটেন্ট

যখন মানুষ কোন তথ্যের জন্য কোন ওয়েবসাইডে যায়, তখন সে উক্ত ওয়েবসাইড হতে অন্যদের থেকে স্বতন্ত্র কিছু পেতে চায়। বর্তমান সময়ে, সার্চ ইঞ্জিন খুব স্মার্ট হয়েছে এবং তারা ব্যাকরণ এবং শব্দগুচ্ছ সম্পূর্ণ বুঝতে সক্ষম হয়েছে।

এসইও কনটেন্ট লিখন (কপি লেখা)

এসইও কনটেন্ট লেখার ক্ষেত্রে আপনাকে নিম্নলিখিত বিষয় গুলো অব্যশই মেনে চলতে হবে।
  1. কনটেন্ট সুনির্দিষ্ট লোকদের জন্য লিখতে হবে।
  2. কীওয়ার্ড ডেনসিটির জন্য সার্চ ইঞ্জিন নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।
  3. শিরোনাম অব্যশই আকর্ষণীয় এবং ভিজিটরদের কাছে আকর্ষক হতে হবে।
  4. বিভ্রান্তিকর, দ্ব্যর্থক, এবং জটিল ভাষা ব্যবহার করা যাবে না।
  5. আপনার ওয়েব পেজকে সংক্ষিপ্ত করতে হবে।

ভাল কনটেন্ট এর অন্যান্য উপকারিতা

এটা শুধু এসইও নয় এর মাধ্যমে আপনি আপনার মনের চিন্তা শক্তি অন্যের কাছে উপস্থাপন করতে পারবেন। অনেক কারণেই আপনার সাইট জনপ্রিয় হতে পারে।
  • আপনার সাইডে যদি স্বতন্ত্র কিছু থাকে তবে লোকজন আপনার সাইডে ভিজিট করার জন্য অন্যকে উপদেশ দিবে।
  • অন্যান্য ওয়েবমাষ্টার আপনার সাইডের লিংক অন্য সাইডে দিবে।

উপসংহার

সৃজনশীল স্বতন্ত্র কনটেন্ট খুব কষ্টসাধ্য এবং সময় সাপেক্ষ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত, এসইও এর নিয়ম আপনার কনটেন্টকে একটি ভাল অবস্থানে নিয়ে যাবে। এটা শুধু সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য নয় বরং এটা আপনার মূল্যবান ভিজিটরের জন্য। ভিজিটর হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইডের একটি সম্পদ। তাই কনটেন্ট এর জন্য আমাদের কঠোর পরিশ্রম ও সময় দিতে হবে।

এসইও – টাইটেল অপটিমাইজেশান । SEO – Title Optimization


62015

এসইও – টাইটেল অপটিমাইজেশান । SEO – Title Optimization



কি খবর সবার? সবাই ভালতো । আজ আমি অনেক গুরুত্বপুর্ণ একটা বিষয় এসইও – টাইটেল অপ্টিমাইজেশান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো । তাহলে চলুন শুরু করা যাক …। চলুন
প্রথমেই আমরা এসইও কী, এর ব্যবহার এবং পরিচিতি দেখি…।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশান

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান (ইংরেজি: Search Engine Optimization) বা সংক্ষেপে এসইও (SEO) হলো একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট বা ওয়েবপেজকে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারকারীদের সার্চ বা অনুসন্ধান ফলাফলের তালিকায় প্রথম দিকে দেখানোর চেষ্টা করা হয়। সাধারণত একটি সার্চ ইঞ্জিনের ওয়েব ক্রাউলার বা সার্চ রোবট বিভিন্ন সময় কিংবা কোনো নির্দিষ্ট সময় ওয়েবে থাকা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ঘুরে বেড়ায় এবং তখনকিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য খুঁজে বেড়ায়। ওয়েবসাইটের সেই সকল বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করে ওয়েবসাইটকে সার্চ রোবটের কাছে তথ্যসমৃদ্ধ করার কাজটিই মূলত প্রকৃত চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকে এসইও’র। রোবট সাধারণত একটি ওয়েবসাইট ক্রাউল করার বা ঘুরে বেড়ানোর সময় যে বিষয়গুলোতে দৃষ্টিপাত করে, সেগুলো হচ্ছেঃ
  • ওয়েবসাইটের টাইটেল বা নাম
  • ওয়েবসাইটের ডেসক্রিপশন বা বিবরণ
  • ওয়েবসাইটের মেটা ট্যাগ
  • ওয়েবসাইটের সাইট ম্যাপ
  • ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলোর টাইটেল বা নাম
  • ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলোর অল্ট বিবরণ
  • ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলোর ক্যাপশন ইত্যাদি
এই বিষয়গুলো নিশ্চিত করে ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে দৃষ্টিগোচর করার কাজটিই এসইও’র মূল কাজ বলে পরিগণিত হয়। আজ আমরা দেখব এসইও এর টাইটেল অপ্টিমাইজেশান সম্বন্ধে-

এসইও – টাইটেল অপটিমাইজেশান

একটি HTML টাইটেল ট্যাগ হেড ট্যাগ এর ভিতরে থাকে। পেজ টাইটেল (পেজের জন্য হেডিং দিয়ে বিভ্রান্ত করা যাবে না) আপনার ব্রাউজার উইন্ডোর টাইটেল বারের মধ্যে যা প্রদর্শন করা হয় এবং আপনি যখন একটি পেজ বুক্মার্ক করেন তখন যা প্রদর্শন করে অথবা আপনার ব্রাউজারে পছন্দের তালিকায় যা যোগ করা হয়।
এটি ওয়েব পেজ এর একটি জায়গায় আপনার কীওয়ার্ড অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে। আপনার ওয়েবসাইটের প্রতিটি পেজের টাইটেলের মধ্যে কীওয়ার্ডের সঠিক ব্যবহার গুগল এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ – বিশেষ করে হোমপেজের জন্য। আপনি যদি আপনার সাইট অপটিমাইজের জন্য কিছু না করে থাকেন তাহলে এটি করতে অবশ্যই মনে রাখবেন!
এখানে একটি ওয়েব পেজ -এর টাইটেল ডিজাইন করার সময় কিছু বিবেচ্য বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে:
  1. টাইটেল ৯ ওয়ার্ড বা ৬০ অক্ষর দ্বারা গঠিত উচিত
  2. টাইটেলের খুব প্রারম্ভে কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন
  3. আপনার কোম্পানীর নাম যদি খুব ভালোভাবে পরিচিত না হয় তাহলে টাইটেলে আপনার কোম্পানীর নাম অন্তর্ভুক্ত করবেন না

টাইটেল তৈরী করার জন্য সর্বোত্তম উপায়

এখানে পেজের টাইটেল তৈরি করার জন্য কিছু পদ্ধতি দেওয়া হয়েছে যা আপনি অনুসরণ করতে পারেনঃ
  1. প্রতিটি পেজের জন্য একটি ইউনিক টাইটেল রাখতে হবে।
  2. সম্বব হলে, প্রতিটি পেজের প্রতিটি টাইটেল এ প্রাথমিক কীওয়ার্ড ফ্রেজ ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
  3. আপনার হোম পেজের টাইটেল প্রাথমিক কীওয়ার্ড ফ্রেজ দিয়ে আরম্ব করুন যা সেরা সেকেন্ডারি কীওয়ার্ড ফ্রেজ অনুসরণ করে।
  4. আপনার নির্দিষ্ট পণ্য, সেবা, বা কন্টেন্ট পাতায় আপনার প্রধান কীওয়ার্ড ফ্রেজ আরো সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবহার করুন।
  5. যদি আপনার কোম্পানীর নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হয় তাহলে টাইটেল এর শেষে করুন
  6. কীওয়ার্ডের জন্য বহুবচন বা একবচন এর সেরা ফর্ম ব্যবহার করুন যা WordTracker এর অনুসন্ধান এর ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়।
  7. টাইটেলে আপনার কীওয়ার্ড 2 থেকে 3 এর অধিক পুনরাবৃত্তি করবেন না।
  8. এটি নিশ্চিত করুন যে <title> ট্যাগ আপনার পেজের <head> বিভাগের প্রথম উপাদান।  এটি Google এর জন্য পেজটি খুঁজে পাওয়া সহজ করে।
আজকের মত এই পর্যন্ত। আশা করি সবার খুব ভাল লেগেছে । পরবর্তি টিউটোরিয়ালে এসইও নিয়ে আরো অনেক কিছু লিখব। সবাই ভাল থাকবেন আর কোন জায়গায় বুঝতে কোন সমস্যা হলে নিশ্চই কমেন্ট করবেন ।

Source: http://bangla.salearningschool.com/

এসইও – প্রাসঙ্গিক ফাইলের নাম । SEO – Relevant Filenames

এসইও – প্রাসঙ্গিক ফাইলের নাম । SEO – Relevant Filenames

গুগলে কোন কিওয়ার্ড লিখে সার্চ দিলে আপনার ওয়েবসাইট এর পেজ যদি সেই একই কিওয়ার্ড থাকে তাহলে টা সার্চ ইঞ্জিন এ প্রদর্শিত হবে।

ফাইল এর নামকরন যেভাবে করবেন

  1. ফাইল এর নামে সাধারনত বিষয়বস্তুর উপর নির্ভর করবে সেটা সংক্ষিপ্ত না বর্ণনামূলক হবে।
  2. পেজ টাইটেল এ যে কিওয়ার্ড করবেন, ফাইল নাম এ ঠিক একই কিওয়ার্ড ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন।
  3. জেনারিক ফাইলের নাম যেমন, “job.htm, service.htm”  এগুলো ব্যবহার করা হতে বিরত থাকবেন।
  4. নামের বিভিন্ন অংশগুলোকে যদি পৃথককরনের প্রয়োজন পরে তাহলে আন্ডার স্কর বাদ দিয়ে হাইফেন ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
  5. সম্ভব হলে শুধুমাত্র ২ টা কিওয়ার্ডস ব্যবহার করুন।

ফাইল নামের উদাহরন

কিছু কিছু আদর্শ নামের উদাহরন নিম্নে উল্লেখ করা হল,
  • slazenger-brand-balls.html
  • wimbledon-brand-balls.html
  • wilson-brand-balls.html
লক্ষ্য করবেন যে, ফাইল নামের এ বিভিন্ন অংশ হাইফেন দ্বারা সংযুক্ত আছে।

ফাইল নামের শেষের অংশ

ফাইল নামের শেষের অংশ যেমন, .htm, .php, .html ইত্যাদি আপনার সাইট এর জন্য গুগল রাঙ্ক এ কোন অবস্থান নির্ণয়ে অবদান রাখে না। এটা শুধু ওয়েব সার্ভার কে বলে দেয়, ফাইল টি সাধারনত কিভাবে খুলবে।

যে বিষয়গুলি অবশ্যই মনে রাখতে হবে

  1. ফাইলএর নাম ছোট, সংক্ষিপ্ত এবং প্রাসঙ্গিক রাখার চেষ্টা সবসময় করতে হবে।
  2. ফাইলের নামে ৩-৪ টা কিওয়ার্ডস ব্যবহার করার চেষ্টা করুন এবং লক্ষ্য রাখুন সেগুলো যেন সার্চ ইঞ্জিনেও প্রকাশিত হয়।
  3. উপ- ডিরেক্টরি গুলোতে যথাসম্ভব ছোট নাম ব্যবহার করার চেষ্টা করবে।
  4. ফাইলের আকার ১০১ কিলোবাইটে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করুন। গুগল সাধারণত নির্দিষ্ট আকারের বড় ফাইল প্রকাশ করে না।

source: http://bangla.salearningschool.com/

এসইও অনুকূল কীওয়ার্ড । SEO – Optimized Keywords

FEB252015

এসইও অনুকূল কীওয়ার্ড । SEO – Optimized Keywords

এসইও- কীওয়ার্ড অপটিমাইজড

একটি কীওয়ার্ড একটি শব্দ। কীওয়ার্ড ব্যবহার করে একজন ব্যক্তি সার্চ ইঞ্জিন এর মাধ্যমে কোন তথ্য বা ওয়েব সাইড খূঁজে পায়। অধিকাংশ মানুষ দুই থেকে পাঁচ শব্দ গঠিত বাক্যাংশ সার্চ ইঞ্জিন এর অনুসন্ধান লিখে থাকে। বাক্যাংশ, শব্দ বাক্যাংশ, প্রশ্নের সাথে বাক্যাংশকে শুধু কীওয়ার্ড বলা যেতে পারে। ভাল শব্দ বাক্যাংশ নির্দিষ্ট এবং বর্ণনামূলক হয়ে থাকে।
কীওয়ার্ড সম্পর্কিত নিম্নলিখিত ধারণা একটি ওয়েবপেজ নিখুঁত ভাবে খুঁজে পেতে সাহায্য করে।

কীওয়ার্ড ফ্রিকোয়েন্সি

একটি কীওয়ার্ড একটি ওয়েবসাইট শিরোনাম বা বর্ণনার সাথে মিল রেখে প্রদর্শিত করে। আপনি চাইবেন না যে আপনি “স্প্যামিং” বা শব্দ ঠাসাঠাসির জন্য আপনার সাইটটি আগে প্রদর্শিত না হয়, একটি কীওয়ার্ড এর পুনরাবৃত্তি সার্চ ইঞ্জিনে বিরূপ প্রভাব ফেলে।
সাধারণভাবে একটি অনুচ্ছেদ বা আর্টিকেলে আপনার কীওয়ার্ড ৩-৭ বার পর্যন্ত হতে পারে এটা স্বাভাবিক এতে করে এসইও-অপটিমাইজেশন এর উপর খারাপ কোন প্রভাব পরবে না।

কীওয়ার্ড প্রক্সিমিটি

একটি অনুসন্ধান শব্দ কীওয়ার্ড এর সাথে সমন্বয় করা যেতে পারে। কিওয়ার্ড প্রক্সিমিটি বলতে অনুসন্ধান শব্দসমষ্টি এর সাথে প্রতিটি পৃথক শব্দের পার্থক্য বোঝায়। কিছু ক্ষেত্রে, এর কীওয়ার্ড হিসাবে অনুরূপ অর্থের সাথে মিল বোঝায়। সার্চ ইঞ্জিন, যে কীওয়ার্ড এর সাথে মিল পায় সেই ওয়েবপেইজ আপনার কাছে উপস্থাপন করে।

কীওয়ার্ড এর বৈশিষ্ট্য

এটি একটি ওয়েবপেইজ তাড়াতাড়ি বা দ্রুততার সাথে খোঁজে পায়। শিরোনামে এবং একটি পৃষ্ঠার প্রথম অনুচ্ছেদের (প্রথম ২০ শব্দ) মধ্যে কীওয়ার্ড ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভাল হয়।

কীওয়ার্ড বসানো

একটি ওয়েবপেজে কিভাবে এবং কোথায় কীওয়ার্ড স্থাপন করা হবে সেই বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণস্বরূপ, পেজ শিরোনামের মধ্যে বা হেডিং ট্যাগ-এ কীওয়ার্ড বসালে অধিকাংশ সার্চ ইঞ্জিনে এটি আরো বেশি ভাল কাজ করে।

কীওয়ার্ড এর ব্যবহার

কীওয়ার্ড কিভাবে ব্যবহার করবেন তার একটি তালিক দেওয়া হলো।
  • Keywords in thetag(s) or other headline tags.
  • Keywords in the keywords link tags.
  • Keywords in the body copy.
  • Keywords in alt tags.
  • Keywords in <!– insert comments here> comments tags.
  • Keywords in the URL or website address.

কীওয়ার্ড খোঁজা

আপনার ওয়েব সাইটের জন্য কীওয়ার্ড খুঁজে বের করার বিভিন্ন উপায় আছে। তার মধ্যে সবচেয়ে ভাল হলো Google Keyword Tool ব্যবহার করা।

শব্দ স্টেমিং কি?

গুগল এর একটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি স্টেমিং ব্যবহার করে। যেখানে এক বচন শব্দ এবং বহু বচন শব্দ সকল ধরনের শব্দ ধরতে পারে ।

Source: http://bangla.salearningschool.com/

২০১৫ সালে যে পাঁচটি এসএইও ট্রেন্ডকে বিবেচনায় রাখা উচিত


2015

২০১৫ সালে যে পাঁচটি এসএইও ট্রেন্ডকে বিবেচনায় রাখা উচিত  

আশা করি আপনারা “সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের যুগ শেষ” এবং “সোশ্যাল মিডিয়াই হলো নতুন সার্চ” এই দু’টি সর্বশেষ অত্যুক্তিতে বিশ্বাস করেননা। বাস্তবতা হলো, এসইও কতগুলো বহুল পরীক্ষিত এসইও কৌশল, কন্টেন্ট মার্কেটিং এবং সোশ্যাল মিডিয়া অপটিমাইজেশনের মধ্যকার সংযুক্তিতে বিবর্তিত হচ্ছে। এটি আরও বেশী জটিল হয়েছে কিন্তু এর মূল্য সামান্য পরিমাণেও কমেনি। এই ধারণাটি মাথায় রেখে ২০১৫ সালের পাঁচটি এসইও ট্রেন্ড সম্পর্কে আলোচনা করা হলো, যেগুলো আপনি এবছর পরিকল্পনা করবেন।

১) সিম্যান্টিক সার্চ

গুগল সম্প্রতি সার্চ এলগরিদমের “Hummingbird” আপডেট প্রকাশ করেছে। পূর্বের পান্ডা ও পেঙ্গুইন আপডেটের মতো না হয়ে হামিংবার্ড আপডেটটি ছিল সম্পূর্নরূপে সিম্যান্টিক সার্চ নির্ভর। যেখানে সিম্যান্টিক হলো ভাষাতত্ত্বের একটি বিভাগ যা শব্দের অর্থঘটিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। সিম্যান্টিক সার্চ সার্চ কোয়ারির (আপনি সার্চ বারে যা লিখে সার্চ করেন) অর্থ এবং যে ব্যক্তি সার্চ করছেন তার মনোভাব বুঝার চেষ্টা করে। সার্চ ইঞ্জিন ল্যান্ডের ডেনি সুলিভান বিষয়টিকে এভাবে ব্যাখ্যা করেছেনঃ
“হামিংবার্ড কোয়ারির প্রত্যকটি শব্দের দিকে আরও বেশি মনোযোগ দেয় যাতে পুরো কোয়ারিটিকে নিশ্চিত করা যায়– নির্দিষ্ট কতগুলো শব্দ নয় বরং পুরো বাক্য বা আলোচনা বা অর্থকে বিবেচনায় নেয়া হয়। লক্ষ্য হলো, পেজের অর্থের সাথে সার্চের অর্থ মেলানো; এখানে অল্প কিছু কিওয়ার্ড কে আর ধর্তব্যে নেয়া হয়না।”
তাই এক্ষেত্রে সংলাপমূলক কোয়ারি, লং টেইল কিওয়ার্ড এবং লেটেন্ট সিম্যান্টিক মার্কআপ যেমন কিওয়ার্ড বা শব্দের বহুবচন এবং সমার্থক শব্দগুলোর দিকে মনযোগ দিতে হবে। এইচটিএমএল মার্কআপের সময় লক্ষ্য রাখতে হবে তা যেন যতটা সম্ভব সিম্যান্টিক হয়। নতুন যে সিম্যান্টিক ট্যাগগুলো স্কিমা ডট অর্গ থেকে এসেছে তা ওয়েবপেজ তৈরির সময় ব্যবহার করতে হবে। এবং কিওয়ার্ড রিসার্চ এর ক্রমাগত গুরুত্ব বৃদ্ধিকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।

২) মোবাইল সার্চ অপটিমাইজেশন

গুগলের তথ্য অনুযায়ী মোবাইল সার্চের ৫০ভাগ কোয়ারিই হয়েছে অঞ্চলগত দিক লক্ষ্য করে। এর মানে হল সার্চকারি ব্যক্তিরা স্থানীয় ব্যবসাগুলোকে খুঁজেছেন যেন তারা ইন-স্টোর কেনাকাটা করতে পারেন। তারপরও সব মোবাইল সার্চ অঞ্চলবিশেষ লক্ষ্য করে করা হয়নি।
তাই এক্ষেত্রে মোবাইল সার্চের ব্যবহার বৃদ্ধি, মোবাইল-ওনলি ইউজারদের উত্থান এবং গুগলের নতুন ”মোবাইল ফ্রেন্ডলি” লেবেলগুলো কিভাবে সার্চ রেজাল্টকে প্রভাবিত করছে সে সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখতে হবে। বলাবাহুল্য, সাম্প্রতিক সময়ে স্মার্টফোনের ব্যবহারের বৃদ্ধিকে ভোক্তা সংগ্রহের একটি প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে ধরে নিতে হবে।

৩) সোশ্যাল সিগনেলগুলোর অকার্যকারিতা

সোশ্যাল সিগনেল যেমন টুইট, শেয়ার ও গুগলপ্লাস সার্চ রেঙ্কিংকে প্রভাবিত করে? তা করে, কিন্তু আপনি যেভাবে ভাবেন তেমন নয়।
সব সময়ই বলা হয়েছে যে টপ সার্চ রেঙ্কিংয়ে উপরের যাওয়ার উপায় হলো সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার। এটি সেই ২০১০ সালের কথা যখন গুগলের ওয়েব-স্পাম বিষয়ক প্রধান বলেছিলেন, আমরা আমাদের সার্চ রেঙ্কিং এ টুইটার ও ফেসবুকের লিংক ও রেঙ্কিংকে ব্যবহার করি। কিন্তু ২০১৪ সালে যখন তাকে একই প্রশ্ন করা হয় তখন বলেছিলেন, বর্তমানে আমাদের সার্চ এলগরিদমে তেমন কোন সিগন্যাল নেই।”
তারপরও কিছু সার্চ অপটিমাইজাররা প্রমাণ করে দেখিয়েছেন যে সোশ্যাল শেয়ার সার্চে সত্যিকার অর্থেই প্রভাব রাখে। তাই সোশ্যাল মিডিয়া সিগন্যাল একেবারেই অপ্রয়োজনীয় তেমন বলা যাবেনা তবে তা আরও বৃহৎ পরিসরে মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি নিয়ে অপটিমাইজ করতে হবে। আপনার এবং অন্যদের শেয়ার করা কন্টেন্ট ব্যাকলিংক তৈরি করে, আরও ট্রাফিককে আপনার সাইটের দিকে ধাবিত করে যা আপনার ব্র্যান্ড সংশ্লিষ্ট কোয়ারিকে বাড়িয়ে দেয়।

৪) আর্নড লিংকের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব বৃদ্ধি

একটি সফল এসইও স্ট্র্যাটেজি নির্ভর করে গুণগত ও পরিমাণগত ব্যাকলিংকের উপর। এক্ষেত্রে আপনার নিজের তৈরি লিংক যেমন আপনার ওয়েব পেজ ও সোশ্যাল মিডিয়া পেজ, পেইড লিংক যেমন গুগল অ্যাডওয়ার্ড বিজ্ঞাপন, টুইটার প্রমোট অথবা অন্যান্য সংস্থার বিজ্ঞাপনী সেবার লিংকের চেয়ে অর্জিত লিংক যেগুলো অন্যান্যরা স্বেচ্ছায় আপনার পণ্য সম্পর্কে আলোচনা ও শেয়ারের মাধ্যমে তৈরি করেছে সেগুলোর গুরুত্ব সার্চ রেঙ্কিংএ অনেক অনেক বেশি। সবসময় লো-কোয়ালিটি লিংক তৈরি থেকে বিরত থাকা উচিত যা আপনার সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে পেনালাইজড করতে পারে।
সুতরাং বুঝা যাচ্ছে যে উচ্চমানসম্পন্ন কন্টেন্ট তৈরিই এসইওর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ! তাছাড়া সামজিক কার্যকলাপের মাধ্যমে অফলাইন সম্পর্ক বৃদ্ধি এবং ব্রোকেন লিংক বিল্ডিংকেও মাথায় রাখতে হবে।

৫) ব্র্যান্ড সম্পর্কে উল্লেখ এবং সাইটেশন

একটি সাইটেশন হলো আপনার ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য কোন ওয়েব সাইটে আপনার ব্র্যান্ডের নাম, ঠিকান, ফোন নাম্বার সম্পর্কে যেকোন উদ্দৃতি। একটি কো-সাইটেশন হলো আপনার ব্যবসায়ের মতো একই রকম অন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাইটে আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কিত উল্যেখ। এক্ষেত্রে লোকাল সাইটেশন, ইন্ডাস্ট্রি সাইটেশন ও নিচ্‌(Niche) সাইটেশন সম্পর্কে জানতে হবে।

সাইট স্ট্রাকচার সম্পর্কে বোনাস টিপ

আপনার সাইটটি ভিজিটরদের কাছে যত বেশী আকর্শনীয় হবে ততো বেশি তা সার্চ ইঞ্জিনের কাছে গ্রহনযোগ্য হবে। তাই সাইটকে যতটা সম্ভব সহজবোধ্য করুন। বাউন্স রেটকে কমানো এবং সাইটে ভিজিটরদের অতিবাহিত সময় বাড়ানোকে গুরুত্ব দিয়ে সাইট ডিজাইন করুন। একটি ত্রুটিমুক্ত এক্সএমএল সাইট ম্যাপ সাবমিট করুন। সাইটের ইউজেবিলিটি বৃদ্ধি করুন।
পরিশেষে, সন্দেহ নেই এসইও বিবর্তিত হয়েছে মানুষ ও সার্চ ইঞ্জিন উভয়ের রুচির দিকে লক্ষ্য রেখে। সিম্যান্টিক সার্চ, মোবাইল ওয়েব এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রাসঙ্গিকতার উত্থান আপনার কন্টেন্টকে মানুষের কাছে পৌছে দিচ্ছে; কিন্তু তা আগের চেয়ে আরও বেশি জটিলতা ও নতুন নতুন সমস্যাকে অন্তর্ভূক্ত করেছে। তবে অনেক পরিবর্তনের মধ্যেও কিছু জিনিস একই রকম রয়ে গেছেঃ প্রাসঙ্গিক উচ্চমানের কন্টেন্ট এবং এর ভালো উপসস্থাপন আপনার জন্য কাজে লাগবে। এবং লিংক অ্যাসিস্ট্যান্ট এর এসইও পাওয়ার স্যুইট এসইও টুল আপনার সিদ্ধান্ত গ্রহনে ও আপনার সাইটকে প্রমোট করতে ভূমিকা রাখবে। তাই আজই এসইও পাওয়ার স্যুইটকে ট্রাই করে দেখুন।

source: http://bangla.salearningschool.com/

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি? What is SEO?


FEB22015

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি? What is SEO?


সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (Search Engine Optimization) এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে যে কেউ সার্চ ইঞ্জিন ব্যাবহার করে একটি ওয়েব সাইটকে বিনামূল্যে সকলের কাছে পৌছে দিতে পারে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (Search Engine Optimization) – কে সংক্ষেপে SEO এসইও বলে। ইন্টারনেটের ব্যবহার যত বাড়ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (Search Engine Optimization) বা এসইও এর জনপ্রিয়তা তত বাড়ছে। অনেকে একে ফ্রিল্যান্সিং কাজ হিসেবে ব্যবহার করছেন। এছাড়া যারা ব্লগ পরিচালনা করছেন তাদের ব্লগের পরিচিতি বাড়ানোর প্রয়োজন তো আছেই। ইন্টারনেটে ব্যবসা বাণিজ্য করে টিকে থাকার জন্য এসইও (SEO) এর গুরুত্ব অপরিসীম।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য গুলোর মধ্যে রয়েছে-
  • একটি সাইটকে সকলের কাছে সহজে পৌছে দেওয়া।
  • ওয়েব সাইটের জন্য প্রিয়তা বৃদ্ধি করা।
  • সাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিক বৃদ্ধি করা।
  • বিভিন্ন ধরনের অনলাইন থেকে আয় করার পণটাটফরম হিসেবে কাজ করে।
  • তথ্য বিনিময় ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার শক্ত ভিত হিসেবে কাজ করে।

সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে

সার্চ ইঞ্জিনগুলো তৈরি হয়েছে, মানুষের তথ্য খুজে পাওয়ার জন্য। সেজন্য কোন কিছু সার্চ দিলে যাতে সবচাইতে সেরা তথ্য খুজে পাওয়া যায় সেজন্য সার্চইঞ্জিন সাইটগুলো কিছু পোগ্রাম তৈরি করে রাখে। যেটি সকল সাইটগুলোর মধ্যে কিছু বিষয় তুলনা করে সেরা সাইটগুলোকে সার্চের সামনে নিয়ে আসে। সেরা সাইট নির্বাচন করার জন্য তারা দেখে ওয়েবসাইটটির মানসম্মত কিনা, ওয়েবসাইটের তথ্য সকলের জন্য প্রয়োজনীয় কিনা, ওয়েভসাইটটি কেমন জনপ্রিয়। এগুলোসহ আরও কিছু বিষয় নিয়ে ফলাফল প্রদর্শন করে।

ক্রলিং

ওয়েব ক্রলিং এর মাধ্যমে। গুগলবট যখন একটি পেজ সংগ্রহ করে তখন এই পেজে পাওয়া লিংকগুলো তার ক্রলিং তালিকায় যোগ হয়। এই পদ্ধতিতে একটি লিংক অসংখ্যবার আসে। কিন্তু গুগলবট সেগুলো বাদ দিয়ে একটি তালিকা তৈরী করে যাতে সবচেয়ে কম সময়ে পুরো ওয়েবকে কভার করা সম্ভব। এ ব্যবস্থাকে বলে ডিপ ক্রলিং। কোন পেজ কত দ্রুত পরিবর্তন হয় সটা ঠিক করা গুগলবট এর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
গুগল ডাটাবেজকে আপডেট রাখার ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে জরুরী। গুগলবট কোন পেজে পরিবর্তনের একটা ফ্রেকোয়েন্সী বের করে এবং সেই হিসেবে ঠিক করা হয় যে গুগলবট কত সময় পর পর কোন পেজ ক্রলিং করবে। কারণ যেই পেজ মাসে একবার পরিবর্তন হয় সেটা কয়েকঘন্টা পরপর ক্রলিং করা সময় নষ্ট ছাড়া কিছুই না। ডাটাবেজ আপডেট করার এই ক্রলিংকে ফ্রেশ ক্রলিং বলে।

ইন্ডেক্স

গুগল ইন্ডেক্স – এর কাজ তুলনামূলক সহজ। গুগলবট ইনডেক্সারকে ক্রলিং করা পেজগুলোর ফুল টেক্সট দেয়। ইনডেক্সার সার্চ টার্মগুলোকে বর্ণমালা অনুসারে সাজায়। এবং কোন টার্ম কোথায় আছে তা সেভ করে রাখে। কিছু পরিবর্তন ও আনা হয় পেজগুলোতে। কিছু বিরাম চিহ্ন বাদ দেওয়া হয়। একের অধিক স্পেস থাকলে সেগুলোও বাদ দেওয়া হয়। ইংরেজির ক্ষেত্রে বড় হাতের অক্ষরগুলোকে বাদ দিয়ে ছোট হাতের অক্ষরে পরিবর্তন করা হয়।

গুগল কুয়েরী প্রসেসর

এটি সর্বশেষ অংশ। এটাই আমাদের সার্চ রেজাল্ট প্রসেসিং করে। কুয়েরী প্রসেসর কয়েকটি অংশে বিভক্ত। ইউজার ইন্টারফেস, কুয়েরী ইঞ্জিন, রেজাল্ট ফরমেটর ইত্যাদি। গুগলের ওয়েবপেজ র‍্যাংকিং সিস্টেমের নাম পেজর‍্যাংক। যে পেজের পেজর‍্যাংক যত বেশী সেটা সার্চ রেজাল্ট এ তত উপরে থাকে। গুগলবট যেহেতু টেক্সটের সাথে পেজ কোড ও ক্রলিং করে তাই ইউজার চাইলে সার্চ টার্মটির অবস্থানও নির্দিষ্ট করে দিতে পারে যে সেটা লিংকে থাকবে,টাইটেলে থাকবে না টেক্সটে থাকবে। শুধু টার্মের উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে রেজাল্ট না দেওয়ার কারণেই গুগলের সার্চ রেজাল্টের মান এত উন্নত।

বিখ্যাত কয়েকটি সার্চ ইঞ্জিনের নাম হলো

গুগল (google), ইয়াহু (yahoo),বিং( bing) ইত্যাদি । এই সব সাইটে আপনি একটি শব্দ সার্চ বক্সে লিখে সার্চ বাটনে ক্লিক করলে , কয়েক সেকেন্ড এর মধ্য অনেক ওয়েবসাইটের লিংক চলে আসে, যেসব লিংকে গেলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যায় ।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ওয়েব ডেভলপারদের জন্য একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কোয়ালিটি ট্রাফিক সার্চ ইঞ্জিন থেকে ব্লগে আসে ফলে ব্লগ বিজ্ঞাপন ফ্রেন্ডলি হয়ে উঠে ফলে পাঠক সন্তুষ্ট হয় এবং ব্লগার বিজ্ঞাপন থেকে উপকৃত হয়। প্রক্রিয়াটি শুধুমাত্র এইটুকুর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর থেকে আরো অনেক সুবিধা পাওয়া যায়।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন মুলত দুই ধাপের মাধ্যমে হয়ে থাকে-
  1. অন পেজ অপটিমাইজেশন
  2. অফ পেজ অপটিমাইজেশন

১) অন পেজ অপটিমাইজেশন

ব্লগ বা ওয়েব পেজের মধ্যে আমরা যে সকল অপটিমাইজেশন করে থাকি তাকেই অন-পেজ অপটিমাইজেশন বলা হয়। অন পেজ অপটিমাইজেশনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল সঠিক কিওয়ার্ড খোঁজা এবং এর ব্যাবহার, মেটা ট্যাগের ব্যবহার, টাইটেলে ট্যাগের ব্যবহার, বর্ণনা ট্যাগের ব্যবহার, কী ওয়ার্ড সমৃদ্ধ কনটেন্ট বনানো এবং এক্সএমএল সাইটম্যাপ যুক্ত করণ ইত্যাদি।

২) অফ পেজ অপটিমাইজেশন

অফ পেইজ অপটিমাইজেন একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং স্থায়ী সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেন যার মাধ্যমে প্রতিযোগিতামুলক রেঙ্কিং এ একটি সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম সারিতে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। সাধারনত উন্নত ব্যাকলিংক, আর্টিকেল মার্কেটিং, ফোরাম পোস্টিং, ইত্যাদির মাধ্যমে অফ পেইজ অপটিমাইজেশন করা হয়। অফ পেইজ অপটিমাইজেশন শুধুমাত্র একটি পাতায় নয় এর সঠিক ব্যাবহার আপনার পুরো ব্লগের উপরে পরবে অর্থাৎ এর ফলে আপনার ব্যাকলিংক বৃদ্ধি পাবে এবং পেজ রেঙ্ক বেড়ে যাবে।
তাই চেষ্টা করা উচিত সাইট এর কন্টেনটগুলো যেন অন্যান্য সাইট থেকে একটু আলাদা হয়। এর পরে আপনি আপনার কন্টেনট অনুযায়ী কিছু জনপ্রিয় কী- ওর্য়াড আপনার কন্টেনট পেইজ এ যোগ করে দিন।
এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন বলতে আমরা সোজা কথায় বুঝি সার্চ ইঞ্জিনের সাথে ওয়েবসাইটের ভাল সম্পর্ক তৈরি করা। সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন ছাড়া একটা ওয়েবসাইট কখনোই পূর্ণতা পায় না কারন কোটি কোটি সাইটের অবস্থান প্রথম সারিতে তৈরি করতে হলে এর বিকল্প নেই।

source: http://bangla.salearningschool.com/seo-what-is-seo/